Headlines

Durga Puja 2026: বর্ধমানের মহারাজা মন্দির গড়ে প্রতিষ্ঠা করেন বসন্তচণ্ডীকে, কেন এমন নাম? | পূর্ব বর্ধমান


Last Updated:

পুজোর সময় ব্যাপক লোকসমাগম হয়। আগে রাজবাড়ি থেকে মহা সমারোহে পুজো আসতো। বর্তমানে সে প্রথা বন্ধ।

খণ্ডঘোষে মা বসন্তচণ্ডীর মন্দির৷
খণ্ডঘোষে মা বসন্তচণ্ডীর মন্দির৷

একসময় মহা সমারোহে শোভাযাত্রা করে বর্ধমান রাজবাড়ি থেকে পুজোর অর্ঘ্য আসত মা বোঁয়াইচণ্ডীর মন্দিরে। কালের নিয়মে আজ তা বন্ধ। তবে পুজো হয় রীতি মেনে নিষ্ঠার সঙ্গে। নিত্যপুজো হয় মন্দিরে।

বাঁকুড়া বর্ধমান সীমান্তে খন্ডঘোষের বোঁয়াই গ্রামে মা বসন্তচণ্ডীর মন্দির। সে মন্দিরে মায়ের কষ্টিপাথরের মূর্তির ছবি তোলা নিষিদ্ধ। তাই আজকের ইন্টারনেটের যুগেও মন্দিরের ছবি সর্বত্র ছড়িয়ে থাকলেও মূর্তির ছবি নেই। লোককথা, একবার ছবি তোলা হয়েছিল। কিন্তু সেই চিত্রগ্রাহক ছবি তোলার পর পরই মারা যান। সেই শেষ। তাই দেবীর রুষ্ট হওয়ার আশঙ্কায় ছবি তোলার অনুমতি দেন না কোনও পুরোহিতও। তবে দেবীমূর্তি দর্শনে কোনও বাধা নেই।

বোঁয়াই গ্রামে মায়ের অবস্থান, তাই মায়ের নাম বোঁয়াইচণ্ডী। আগে এই এলাকায় বসন্তের খুব প্রাদুর্ভাব ছিল। লোককথা, বোঁয়াই মায়ের পুকুরে স্নান সেড়ে মায়ের পুজো দিলে বসন্ত ভালো হয়ে যায়। তাই মায়ের নাম বসন্তচণ্ডী। প্রতিদিনই দূর দূরান্ত থেকে দলে দলে পুণ্যার্থীরা আসেন। পুকুরে স্নান সেড়ে ভিজে কাপড়ে মায়ের পুজো দেন।

পাশের কুলে রায়কাদিঘি গ্রামে এক জলাশয়ে মায়ের কষ্টিপাথরের অষ্টাভূজা অসুরদলনী মূর্তি পাওয়া যায়। বর্ধমানের মহারাজা স্বপ্নাদেশ পেয়ে সেই গ্রাম থেকে মূর্তি এনে প্রতিষ্ঠা করেন। মহারাজাই এই মন্দির গড়ে দেন। এলাকার ব্রাহ্মণদের সেবাইত নিযুক্ত করেন। সেই থেকেই মায়ের নিত্যপুজো চলে আসছে।

আষাঢ় মাসে অম্বুবাচির সময় মন্দিরে চারদিনের মেলা বসে। তখন লক্ষ লক্ষ বাসিন্দা পুকুরে স্নান করে পুজো দেন। রাঢ়বঙ্গে তা বোঁয়াই স্নান নামে পরিচিত।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *