ধোঁয়া ওঠা মাটির ভাঁড়ে শুধু চা নয়, মিলছে গোলাপ, জবা কিংবা অপরাজিতার পুষ্টিগুণ। আর সেই কাপে চুমুক দিতে দিতেই হঠাৎ পাশ থেকে খোনা গলায় কেউ ডেকে উঠছে— ‘‘কী গো, চা কেমন হয়েছে?’’ চমকে তাকিয়ে ক্রেতারা দেখছেন, কথা বলছে রক্তমাংসের কোনও মানুষ নয়, এক কাঠের পুতুল! নাম তার ‘আপদ’। পশ্চিম মেদিনীপুরের বেলদা বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এক চায়ের দোকানে এখন এমনই অভিনব দৃশ্য। দোকানের কর্ণধার অভিজিৎ মাইতি একদিকে যেমন ভেষজ উপাদানে বদলে দিয়েছেন গতানুগতিক চা পানের অভ্যাস, তেমনই ওষ্ঠ না নেড়ে পুতুলের মুখে কথা ফুটিয়ে— অর্থাৎ ভেন্ট্রিলোকুইজমের জাদুতে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন গোটা এলাকাকে। করোনা মহামারীর আগে মোবাইল মেরামতির কাজ করতেন অভিজিৎ। লকডাউনের ধাক্কায় জীবিকা হারিয়ে নিজের বাড়িতেই শুরু করেন চায়ের দোকান— ‘চায়ের আড্ডা’। তবে শুধু দুধ-চিনির চেনা ছকে নিজেকে আটকে রাখেননি। শুরু করেন নিত্যনতুন পরীক্ষা-নিরীক্ষা। দোকানে ঝুলিয়ে রেখেছেন পেল্লায় মাপের ফ্লেক্স, যেখানে সহজ ভাষায় লেখা কোন ফুলের চায়ের কী স্বাস্থ্যগুণ। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ থেকে হজমের উন্নতি— উপকারিতা পড়ে জবা বা গাঁদা ফুলের সুবাসিত চায়ের বরাত দিচ্ছেন স্বাস্থ্যসচেতন ক্রেতারা।
ধোঁয়া ওঠা মাটির ভাঁড়ে শুধু চা নয়, মিলছে গোলাপ, জবা কিংবা অপরাজিতার পুষ্টিগুণ। আর সেই কাপে চুমুক দিতে দিতেই হঠাৎ পাশ থেকে খোনা গলায় কেউ ডেকে উঠছে— ‘‘কী গো, চা কেমন হয়েছে?’’ চমকে তাকিয়ে ক্রেতারা দেখছেন, কথা বলছে রক্তমাংসের কোনও মানুষ নয়, এক কাঠের পুতুল! নাম তার ‘আপদ’। পশ্চিম মেদিনীপুরের বেলদা বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এক চায়ের দোকানে এখন এমনই অভিনব দৃশ্য। দোকানের কর্ণধার অভিজিৎ মাইতি একদিকে যেমন ভেষজ উপাদানে বদলে দিয়েছেন গতানুগতিক চা পানের অভ্যাস, তেমনই ওষ্ঠ না নেড়ে পুতুলের মুখে কথা ফুটিয়ে— অর্থাৎ ভেন্ট্রিলোকুইজমের জাদুতে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন গোটা এলাকাকে। করোনা মহামারীর আগে মোবাইল মেরামতির কাজ করতেন অভিজিৎ। লকডাউনের ধাক্কায় জীবিকা হারিয়ে নিজের বাড়িতেই শুরু করেন চায়ের দোকান— ‘চায়ের আড্ডা’। তবে শুধু দুধ-চিনির চেনা ছকে নিজেকে আটকে রাখেননি। শুরু করেন নিত্যনতুন পরীক্ষা-নিরীক্ষা। দোকানে ঝুলিয়ে রেখেছেন পেল্লায় মাপের ফ্লেক্স, যেখানে সহজ ভাষায় লেখা কোন ফুলের চায়ের কী স্বাস্থ্যগুণ। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ থেকে হজমের উন্নতি— উপকারিতা পড়ে জবা বা গাঁদা ফুলের সুবাসিত চায়ের বরাত দিচ্ছেন স্বাস্থ্যসচেতন ক্রেতারা।
