Last Updated:
বসিরহাটের সানাপুকুরে একই পরিবারের স্বামী-স্ত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য। বাড়ির বারান্দায় ঝুলন্ত অবস্থায় স্বামীর দেহ এবং বিছানায় স্ত্রীর নিথর শরীর উদ্ধার করেছে পুলিশ। সকালে বাবা-মায়ের এমন পরিণতি দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়ে তাঁদের ১৫ বছরের একমাত্র মেয়ে। মৃত্যুর কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে।
বসিরহাট: বসিরহাটে একই পরিবারের স্বামী-স্ত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল। বাড়ির বারান্দায় ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার হল স্বামীর দেহ। অন্যদিকে, ঘরের বিছানা থেকে উদ্ধার হয়েছে স্ত্রীর নিথর শরীর। বাবা-মায়ের এমন মর্মান্তিক পরিণতিতে মাত্র ১৫ বছর বয়সেই অসহায় হয়ে পড়ল তাঁদের একমাত্র মেয়ে। ঘটনাটি ঘটেছে বসিরহাট থানার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সানাপুকুর এলাকায়। মৃত্যুর কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বসিরহাট থানার পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত ব্যক্তির নাম সুদেব গোস্বামী (৬০)। পেশায় তিনি ঠিকাদার ছিলেন। তাঁর স্ত্রীর নাম সোমা গোস্বামী (৫৫)। তাঁদের একমাত্র মেয়ের বয়স ১৫ বছর।
পরিবার সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার সকালে ঘুম থেকে উঠে ওই কিশোরী দেখতে পায়, বাড়ির বারান্দায় গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় ঝুলছেন বাবা। অন্যদিকে, ঘরের বিছানায় পড়ে রয়েছেন মা। এই দৃশ্য দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়ে সে। দ্রুত মোবাইল ফোনে আত্মীয়দের খবর দেয়। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে ছুটে আসেন। পরে খবর দেওয়া হয় বসিরহাট থানায়।
পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্বামী-স্ত্রী দু’জনের দেহ উদ্ধার করে। প্রাথমিকভাবে স্বামীর মৃত্যুর কারণ আত্মহত্যা বলে অনুমান করা হলেও স্ত্রীর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। কী ভাবে তাঁর মৃত্যু হল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
একই পরিবারের দু’জনের এমন রহস্যজনক মৃত্যুর নেপথ্যে কী কারণ রয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। পারিবারিক অশান্তি, আর্থিক সমস্যা নাকি অন্য কোনও কারণ, সব দিক খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। ইতিমধ্যেই দু’জনের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এলেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

