Last Updated:
আগামী দিনেও এমন ঘটনা ঘটলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে একই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়ার পক্ষে সওয়াল করেন শিল্প প্রতিমন্ত্রী। তাঁর কথায়, “পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েই প্রশাসন কাজ করবে।”
পূর্ব বর্ধমান: ‘এটাই তো বদলের বাংলা। মানুষ তো এই বদলটাই চেয়েছিল।’ গাইঘাটা এনকাউন্টার নিয়ে এমনই মন্তব্য করলেন শিল্প প্রতিমন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র।
তিনি বলেন, “মানুষ নারী সুরক্ষা চেয়েছিল। উনপঞ্চাশ বছর ধরে নারী সুরক্ষা পায়নি। বামফ্রন্টের আমলে কোনও বিচার হয়নি। কোনও ঘটনার তদন্ত হত না। আর শেষ পনেরো বছরে যে কোনও অপরাধ হলেই মুখ্যমন্ত্রী বলতেন, ছোট ঘটনা। মেয়েটা কেন রাতেরবেলা ফুচকা খেতে গিয়েছে, সেই প্রশ্নও তোলা হত।” মৌমিতা বলেন, “এটা ঠিক যে কোনও অপরাধই কারও নিয়ন্ত্রণে নেই। কিন্তু অপরাধ হওয়ার পরে তার তদন্ত ও বিচারের বিষয়টি প্রশাসনের হাতে রয়েছে। আজ বাংলা দেখেছে, আমাদের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী শপথ নেওয়ার পরে বলেছিলেন, এখানে কোনও গুন্ডামি বরদাস্ত করা হবে না। নারীদের কোনও অপমান সহ্য করা হবে না। এই সরকার জিরো টলারেন্স নীতিতে চলবে। পশ্চিমবঙ্গের মানুষ আজ সেটাই দেখেছেন।”
তাঁর আরও বক্তব্য, “বারুইপুর ও গাইঘাটার ঘটনা প্রমাণ করে দিয়েছে যে প্রশাসন তার কথা রেখেছে এবং নারীরা আজ পশ্চিমবঙ্গের বুকে সুরক্ষিত। বারুইপুর ও গাইঘাটায় যাঁদের গ্রেফতার করা হয়েছিল, তাঁদের তদন্তের জন্য ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হয় এবং তদন্তে সাহায্য করতে বলা হয়। কিন্তু তাঁরা পুলিশের রিভলভার ছিনিয়ে নিয়ে পুলিশের উপর হামলা চালানোর চেষ্টা করেন। আত্মরক্ষার জন্য পুলিশকে তখন পদক্ষেপ করতেই হবে।” আগামী দিনেও এমন ঘটনা ঘটলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে একই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়ার পক্ষে সওয়াল করেন শিল্প প্রতিমন্ত্রী। তাঁর কথায়, “পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে কোনও রকম অপরাধমূলক কার্যকলাপ বরদাস্ত করা হবে না। জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েই প্রশাসন কাজ করবে।”

