Last Updated:
গাড়িটি দাঁড় করানোর পরই চালকের কথাবার্তায় সন্দেহ হয় পুলিশের৷ নজরে আসে একটি বস্তা৷
চারচাকা গাড়ি তল্লাশির সময় একটা বস্তা থেকে আসছিল ঝাঁঝালো গন্ধ। তাতেই সন্দেহ হয় পুলিশের। সেই বস্তা খুলতেই চক্ষু চড়কগাছ পুলিশের। পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষে সেই বস্তা খুলতেই চক্ষু চড়কগাছ পুলিশকর্মীদের৷
খণ্ডঘোষে নাকা চেকিংয়ে একটি গাড়ি থেকে ১৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার হল। গাড়িচালককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষ থানার পুলিশের নাকা চেকিংয়ে উদ্ধার হল বিপুল পরিমাণ গাঁজা। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্ধমান-আরামবাগ ৭ নম্বর রাজ্য সড়কে পলেমপুর ফুটবল মাঠের কাছে নাকা চেকিং চালাচ্ছিল খণ্ডঘোষ থানার পুলিশ। সেই সময় একটি চারচাকা গাড়িকে দাঁড় করিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। গাড়ির ভিতরে একটি বস্তা দেখতে পান পুলিশকর্মীরা। বস্তাটি থেকে ঝাঁঝালো গন্ধ পাওয়ায় পুলিশের সন্দেহ হয়।
এরপর নাকা চেকিংয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক খণ্ডঘোষ থানায় খবর দেন। ঘটনাস্থলে পৌঁছন পুলিশের পদস্থ আধিকারিকরা। পুলিশের উপস্থিতিতে পুরো তল্লাশি প্রক্রিয়ার ভিডিওগ্রাফি করা হয়। এরপর গাড়ি থেকে বস্তাটি নামিয়ে তল্লাশি চালানো হলে মোট ৮টি প্যাকেট উদ্ধার হয়। পুলিশ সূত্রে দাবি, ওই প্যাকেটগুলিতে মোট প্রায় ১৬ কেজি গাঁজা ছিল।
ধৃত গাড়িটির চালকের নাম শেখ নাসিরুদ্দিন। তার বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের দেওয়ানদিঘি এলাকায়। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, গাড়িটি ওড়িশার কটক থেকে আসছিল। বোলপুরের দিকে যাওয়ার পথে পলেমপুরে নাকা চেকিংয়ের সময় পুলিশের হাতে ধরা পড়ে।
ঘটনার পর গাড়িচালক শেখ নাসিরুদ্দিনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এই গাঁজা পাচারের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, কোথা থেকে গাঁজা আনা হয়েছিল এবং কোথায় তা পৌঁছে দেওয়ার কথা ছিল—সেসব বিষয় খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে খণ্ডঘোষ থানার পুলিশ।

