Last Updated:
Dilip Ghosh on Biman Basu: একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বিমান বসু বলেন, ‘‘বামফ্রন্ট সরকারের শিল্পনীতি গ্রহণ ও ঘোষণার সময় নেতৃত্বে ছিলেন জ্যোতি বসু। সেই শিল্পনীতি নিয়ে কোনও সমস্যা হয়ে থাকলে তার দায় জ্যোতি বসুর নেতৃত্বাধীন সরকারের। বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য সেই নীতি কার্যকর করার দায়িত্ব পেয়েছিলেন।’’
কলকাতা: বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য নয়, জমি নীতি সংক্রান্ত ‘ভুল’ যদি কিছু হয়ে থাকে তা ঘটেছে জ্যোতি বসুর আমলে হয়েছে৷ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বাম আমলের জমি নীতির সমালোচনার প্রতিক্রিয়ায় এমনটাই জানিয়েছেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু৷ এবার বিমানবাবুর এভাবে জ্যোতি বসুর জমানা নিয়ে কথা বলা নিয়ে বামেদেরই কটাক্ষ করলেন রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ৷
জ্যোতি বসু ও বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য প্রসঙ্গে শিল্পনীতি নিয়ে বিমান বসুর মন্তব্য প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘‘জ্যোতি বসু কি পার্টির বাইরে? তিনি পার্টির ভিত করে দিয়ে গেলেন; সবাই তা ভোগ করলো। সরকার চলল। সবকিছু আন পপুলার হয়ে গেল তখন তাঁকে দোষ দিয়ে আরেকজনকে বসানো হলো। যাইহোক ইতিহাস, ইতিহাস। ও নিয়ে আমরা মাথা ঘামাতে চাই না। আমরা সামনে এগোতে চাই। নতুন শিল্পনীতি এসে গেছে। মানুষ এগোতে চাইছে, আগামী দিনে শিল্পায়ন হবে।’’
‘বাংলার যে ওয়ার্ক কালচার নষ্ট হয়ে যাচ্ছে’
রাজ্যে কর্মসংস্কৃতি ফিরিয়ে আনতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, ‘‘কারখানার গেটে গুন্ডামি চলবে না।’’ দিলীপ ঘোষ তাঁকে সমর্থন করে বলেন, ‘‘বাংলার যে ওয়ার্ক কালচার নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তা চলবে না, চলবে না। বলে বলে কারখানা বন্ধ করা। হাজার হাজার লোকের গেটের বাইরে, গেটের ভিতরে গন্ডগোল। ভেতরে বাইরে মাস্তানি করার দিন শেষ। সরকার নতুন শিল্পনীতি ঘোষণা করেছে।’’
এই প্রসঙ্গে দিলীপের বক্তব্য, ‘‘ডানকুনি থেকে হাইওয়ে বরাবর অনেকেই জমি কিনে রেখেছেন শিল্প হবে বলে। ওখানে পড়ে আছে প্রায় দুই হাজার একর জায়গা। লোক কিনে রেখেছে, ইন্ডাস্ট্রি হবে। টাটা চলে যাওয়ার পর জমি পড়ে আছে, চাষ হয় না, কোনো ইন্ডাস্ট্রি হয় না। এত মূল্যবান হাজার কোটি টাকার সম্পত্তি পড়ে আছে, উপযোগে লাগা উচিত। তাই সরকার চেষ্টা করছে টাটা বা অন্য ইন্ডাস্ট্রি লাগাতে। অন্য কোনো কোম্পানি, ইন্ডাস্ট্রি এলে সেখানে নতুন করে শিল্পায়ন শুরু হবে। তার প্রচেষ্টা পুরো দমে চলছে।’’

