Headlines

Fish deaths in North Bengal: ভুটান থেকে দূষিত জল ঢুকে নদীতে মাছের মড়ক! বিপাকে আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারের মৎস্যজীবীরা, ক্ষতিপূরণ চেয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি বনমন্ত্রীর | আলিপুরদুয়ার


Last Updated:

এই ঘটনায় চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন স্থানীয় মৎস্যজীবী ও নদীনির্ভর মানুষজন। মাছ ধরেই যাঁদের সংসার চলে, তাঁদের জীবিকা কার্যত অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। ইতিমধ্যেই ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্যজীবীরা সরকারের কাছে লিখিত আবেদন জানিয়েছেন।

বিপাকে আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারের মৎস্যজীবীরা, ক্ষতিপূরণ চেয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি বনমন্ত্রীর (AI Generated Image)
বিপাকে আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারের মৎস্যজীবীরা, ক্ষতিপূরণ চেয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি বনমন্ত্রীর (AI Generated Image)

আলিপুরদুয়ার:  ভুটান থেকে নেমে আসা দূষিত জলের জেরে উত্তরবঙ্গের একাধিক নদীতে ব্যাপক হারে মাছের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারের মৎস্যজীবীরা। তাঁদের দুর্দশার কথা তুলে ধরে এবার মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিলেন রাজ্যের বন ও পরিবেশমন্ত্রী মনোজ কুমার ওরাঁও। গত ৩ নভেম্বর লেখা ওই চিঠিতে ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্যজীবীদের আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়ার পাশাপাশি নদীগুলিতে পর্যাপ্ত পরিমাণে মাছ ছাড়ার আবেদন জানিয়েছেন তিনি।

চিঠিতে বনমন্ত্রী জানিয়েছেন, গত ৩০ অক্টোবর রাতে ভুটান থেকে নেমে আসা দূষিত জল কুমারগ্রাম এলাকার নদীগুলিতে প্রবেশ করে। এর জেরে নদীর জল ব্যাপকভাবে দূষিত হয়ে পড়ে। তার প্রভাবেই বিপুল সংখ্যক মাছের মৃত্যু হয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। বিশেষ করে আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহার জেলার সংকোশ এবং ঘোলানি নদীতে এই বিপর্যয়ের প্রভাব পড়েছে।

এই ঘটনায় চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন স্থানীয় মৎস্যজীবী ও নদীনির্ভর মানুষজন। মাছ ধরেই যাঁদের সংসার চলে, তাঁদের জীবিকা কার্যত অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। ইতিমধ্যেই ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্যজীবীরা সরকারের কাছে লিখিত আবেদন জানিয়েছেন। পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে দ্রুত তাঁদের আর্থিক সহায়তা দেওয়ার আর্জি জানিয়েছেন বনমন্ত্রী। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত নদীগুলিতে পর্যাপ্ত পরিমাণে মাছ ছাড়ারও আবেদন জানিয়েছেন তিনি। দ্রুত বিষয়টি বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার জন্য মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়েছেন মনোজ কুমার ওরাঁও। ভুটান থেকে আসা দূষিত জলের জেরে একদিকে যেমন নদীর বাস্তুতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, তেমনই অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে কয়েক হাজার মানুষের জীবিকা।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *