Last Updated:
Electricity Comes After 80 Years Of Independence: স্বাধীনতার পর এই প্রথম বিদ্যুৎ এলো গ্রামে! হাসির আলো প্রকল্পে বিদ্যুৎ সংযোগ পেলো আদিবাসী গ্রাম।
তারকেশ্বর: স্বাধীনতার পর এই প্রথম বিদ্যুৎ এলো গ্রামে! হাসির আলো প্রকল্পে বিদ্যুৎ সংযোগ পেলো আদিবাসী গ্রাম। তারকেশ্বর ব্লকের আস্তারা দত্তপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের চাকদা গ্রামের ১৬০ নম্বর বুথের বাসিন্দারা বিদ্যুৎ থেকে বঞ্চিত ছিল। বরাবরই এই বুথ বিজেপির দখলে থাকতো। বিজেপির দখলে থাকার কারণে আদিবাসী পাড়ায় বিদ্যুৎ সহ অন্যান্য কোন সরকারি সুযোগ সুবিধার ব্যবস্থা ছিলো না।ফলে এই পাড়া অন্ধকারই ছিল এতদিন।
বদলের বাংলায় সেই পাড়ায় ঢুকলো বিদ্যুৎ এর আলো পাশাপাশি পানীয় জলের ব্যবস্থা করা হয়েছে এই পাড়ায়। একের পর এক সরকারি পরিষেবা পেতে শুরু করেছে চাকদা গ্রামের আদিবাসী পাড়া।
গত ২০২৩ সালে এর পঞ্চায়েতের ভোটে এই গ্রাম থেকে জয়ী হয় বিজেপি প্রার্থী শীকান্ত রায়। তৃণমূলের জামানায় বিজেপির গ্রাম দখল মেনে নেয়নি তৃণমূলও তাই সমস্ত সুযোগ সুবিধা থেকেই এই গ্রাম এবং এই পাড়াকে বঞ্চিত রাখা হয়েছিল বলে অভিযোগ। আশেপাশে গ্রামে বিদ্যুৎ থাকলেও চাকদা গ্রামে বিদ্যুৎ ছিলো না।
তারকেশ্বরের বিধায়ক সন্তু পান বলেন, স্বাধীনতার পর এই প্রথম চাকদা গ্রামে বিদ্যুৎ আসার জন্য গ্রামের মানুষ খুবই আনন্দিত। এত বছর ধরে এই গ্রামে কোন বিদ্যুৎ ছিল না। আমি মুখ্যমন্ত্রী কে চিঠি লিখেছিলাম উনি বলেছিলেন বিদ্যুৎ আসবে। দু সপ্তাহের মধ্যে বিদ্যুৎ পেয়েছে। আমরা সকলে মিলে দীপাবলিতে আনন্দ করবো এই চাকদা গ্রামে। বিধায়ক হয়ে বিদ্যুৎ দিতে পেরে খুবই আনন্দিত। আদিবাসী পরিবারগুলো এতদিন বিদ্যুৎ থেকে বঞ্চিত ছিল। আদিবাসীদের সঙ্গে, জনগণের সঙ্গে বিজেপি সরকার আছে ডবল ইঞ্জিন সরকার আছে সেই জন্য স্বাধীনতার পর প্রথমবার এই গ্রামে বিদ্যুৎ এসেছে।
বিদ্যুৎ দপ্তর সূত্রে জানা গেছে,তারকেশ্বরের ওই গ্রামের উপর দিয়ে বিদ্যুৎ গেলেও গুলো তার সুবিধা পায়নি।বিদ্যুৎ সংযোগ ছিল না এতদিন তাদের। অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে থাকা পরিবারগুলোকে হাসির আলো প্রকল্পে বিদ্যুৎ দেওয়া হয়েছে।স্মার্ট মিটার বসানো কাজ শুরু হয়েছে।৫০ টি মত পরিবার রয়েছে চাকদা গ্রামে।

