৫৫ বছর বয়সেও সংসার চালাতে প্রতিদিন পরিশ্রম করে চলেছেন মালদহ শহরের বুড়াবুড়িতলার ছায়া প্রামাণিক। প্রায় ১৭ বছর ধরে খাবারের দোকান চালাচ্ছেন তিনি। সন্ধ্যা হলেই ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের দুর্গামণ্ডপের সামনে দোকান সাজিয়ে বসেন ছায়াদেবী। অগ্নিমূল্য বাজারের মধ্যেও মাত্র ১০ টাকা থেকে এগ রোল, চাউমিন ও পাস্তা বিক্রি করেন তিনি। শুরুতে পাঁচ টাকা থেকে খাবার বিক্রি করলেও গত সাত বছর ধরে ১০ টাকা থেকে বিভিন্ন দামের খাবার বিক্রি করছেন। তাঁর কথায়, খুব বেশি লাভ না হলেও প্রতিদিন ৫০০ থেকে ১,০০০ টাকা আয় হয়। ক্রেতারাও তাঁর সস্তায় খাবার বিক্রি এবং পরিশ্রমের প্রশংসা করেন। ছায়াদেবীর স্বামী দীপক প্রামাণিকের বয়স ৬০ পেরিয়েছে, তিনিও রথবাড়ি এলাকায় চায়ের দোকান চালান। দুই ছেলে আলাদা সংসার করায় নিজেদের জীবনযাপনের দায়িত্ব নিজেরাই সামলাচ্ছেন এই দম্পতি। বয়স যে পরিশ্রম ও জীবনসংগ্রামের পথে বাধা হতে পারে না, ছায়া প্রামাণিকের জীবন তারই উদাহরণ।৫৫ বছর বয়সেও সংসার চালাতে প্রতিদিন পরিশ্রম করে চলেছেন মালদহ শহরের বুড়াবুড়িতলার ছায়া প্রামাণিক। প্রায় ১৭ বছর ধরে খাবারের দোকান চালাচ্ছেন তিনি। সন্ধ্যা হলেই ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের দুর্গামণ্ডপের সামনে দোকান সাজিয়ে বসেন ছায়াদেবী। অগ্নিমূল্য বাজারের মধ্যেও মাত্র ১০ টাকা থেকে এগ রোল, চাউমিন ও পাস্তা বিক্রি করেন তিনি। শুরুতে পাঁচ টাকা থেকে খাবার বিক্রি করলেও গত সাত বছর ধরে ১০ টাকা থেকে বিভিন্ন দামের খাবার বিক্রি করছেন। তাঁর কথায়, খুব বেশি লাভ না হলেও প্রতিদিন ৫০০ থেকে ১,০০০ টাকা আয় হয়। ক্রেতারাও তাঁর সস্তায় খাবার বিক্রি এবং পরিশ্রমের প্রশংসা করেন। ছায়াদেবীর স্বামী দীপক প্রামাণিকের বয়স ৬০ পেরিয়েছে, তিনিও রথবাড়ি এলাকায় চায়ের দোকান চালান। দুই ছেলে আলাদা সংসার করায় নিজেদের জীবনযাপনের দায়িত্ব নিজেরাই সামলাচ্ছেন এই দম্পতি। বয়স যে পরিশ্রম ও জীবনসংগ্রামের পথে বাধা হতে পারে না, ছায়া প্রামাণিকের জীবন তারই উদাহরণ।
