পুজোর দিন থেকে বিসর্জন পর্যন্ত মায়ের পায়ে থাকে সেই শিকল। বিসর্জনের আগে নিয়ম মেনে খুলে দেওয়া হয় তা। ভাবুন তো, একদিকে ভক্তদের অগাধ ভালোবাসা, অন্যদিকে মাকে মন্দিরে ধরে রাখার এমন অভিনব ব্যবস্থা! ইতিহাস কতটা, লোককথা কতটা, তা নিয়ে তর্ক থাকতেই পারে। কিন্তু সোনামুখীর ক্ষ্যাপা কালীর এই অদ্ভুত ঐতিহ্য যে বাঁকুড়ার কালীপুজোকে অন্য মাত্রা দিয়েছে, তা বলাই যায়। (ছবি ও তথ্য – নীলাঞ্জন ব্যানার্জি)
