একটি ভিডিও বার্তায় হারজোগ জানিয়েছেন যে, তিনি নেসেটের (ইজরায়েলের পার্লামেন্ট) একজন সদস্যকে সরকার গঠনের দায়িত্ব দেওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেছেন।
“আমি আগামী রবিবার নেসেটের একজন সদস্যকে সরকার গঠনের দায়িত্ব দেওয়ার পরিকল্পনা করছি,” তিনি বললেন। রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে দুই দিনব্যাপী আলোচনার পর এই ঘোষণাটি আসে। মোট ৬৭ জন প্রতিনিধি আইজেনকোটের পক্ষে সমর্থন জানান, অন্যদিকে ৪৬ জন নেতানিয়াহুকে সমর্থন করেন। সাতজন প্রতিনিধি ভোটদান থেকে বিরত থাকেন।
আইজেনকোট আইনপ্রণেতাদের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের সমর্থন পেয়েছেন
আইজেনকোট, যিনি একজন প্রাক্তন সামরিক প্রধান এবং বর্তমানে বিরোধী দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তিনি ইহুদি বিরোধী দলগুলির পাশাপাশি আরব-নেতৃত্বাধীন দুটি রাজনৈতিক গোষ্ঠীর সমর্থন পেয়েছেন।
צפו בעדכון שנתתי בתום סבבי ההתייעצויות להרכבת הממשלה בבית הנשיא: https://t.co/M86tqnKiHX
— יצחק הרצוג Isaac Herzog (@Isaac_Herzog) November 5, 2026
এই সমর্থন তাকে ১২০ সদস্যবিশিষ্ট নেসেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজনীয় ৬১ জনেরও বেশি আইনপ্রণেতার সমর্থন এনে দেয়। তবে, এই সুপারিশগুলি কোনও সরকার জোট গঠনের নিশ্চয়তা সরাসরিভাবে দেয় না৷
নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি ২৭টি আসন পেয়ে সর্বোচ্চ সংখ্যক আসন অর্জন করেছে, তবে তার নেতৃত্বাধীন বৃহত্তর ডানপন্থী ও ধর্মীয় জোট পেয়েছে মাত্র ৫৩টি আসন।
হারজোগ বলেছেন যে, সংখ্যাতাত্ত্বিক হিসাবটি স্পষ্ট মনে হলেও বিভিন্ন রাজনৈতিক জোটের ভিতর ও পারস্পরিক মতপার্থক্যের কারণে সরকার গঠনের ক্ষেত্রে কার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি, তা নির্ধারণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
এরপর কী হবে?
হারজোগ সরকার গঠনের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য একজন প্রতিনিধিকে বেছে নেওয়ার আগে সুপারিশগুলো বিবেচনা করবেন। সবচেয়ে বেশি সমর্থন পাওয়া প্রার্থীকেই বেছে নিতে হবে—এমন কোনো বাধ্যবাধকতা রাষ্ট্রপতির নেই।
যিনি নির্বাচিত হবেন, তার কাছে জোট গঠনের জন্য ২৮ দিন সময় থাকবে; প্রয়োজনে এই সময়সীমা আরও ১৪ দিন বাড়ানো যেতে পারে।
ইতিমধ্যে, নতুন সরকার গঠিত না হওয়া পর্যন্ত নেতানিয়াহু অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন চালিয়ে যাবেন। জোট গঠনের আলোচনা ব্যর্থ হলে ইজরায়েলকে হয়তো আরও একটি নির্বাচনের মুখোমুখি হতে হতে পারে।
