মুর্শিদাবাদের রানীনগর ২ ব্লকের পানিপিয়া গ্রামের আবু সুফিয়ান প্রথমবার NEET পরীক্ষায় বসেই সাফল্য অর্জন করেছে। ২০২৬ সালের NEET পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে তৃতীয় রাউন্ডের কাউন্সেলিংয়ে কলকাতা ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে সে। ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনায় মেধাবী আবু সুফিয়ানকে চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখেছিলেন তাঁর বাবা, যিনি পেশায় একটি বেসরকারি স্কুলের শিক্ষক। মধ্যবিত্ত পরিবারের আর্থিক সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও ছেলের স্বপ্নপূরণে কখনও পিছিয়ে যাননি তিনি। আল-আমিন মিশনে পড়াশোনা ও প্রস্তুতির মাধ্যমে সেই স্বপ্নপূরণের পথে বড় পদক্ষেপ করেছে আবু। তাঁর এই সাফল্যে খুশি পরিবার, আত্মীয়স্বজন, শিক্ষক-শিক্ষিকা, বন্ধু এবং গ্রামবাসীরা। আবু জানিয়েছে, বাবার স্বপ্ন ছিল, সে বড় হয়ে মানুষের চিকিৎসা করবে এবং সেবা করবে। পানিপিয়া থেকে কলকাতার মেডিকেল কলেজে পৌঁছনোর এই সাফল্য এলাকার বহু পড়ুয়ার কাছেও অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে।মুর্শিদাবাদের রানীনগর ২ ব্লকের পানিপিয়া গ্রামের আবু সুফিয়ান প্রথমবার NEET পরীক্ষায় বসেই সাফল্য অর্জন করেছে। ২০২৬ সালের NEET পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে তৃতীয় রাউন্ডের কাউন্সেলিংয়ে কলকাতা ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে সে। ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনায় মেধাবী আবু সুফিয়ানকে চিকিৎসক হিসেবে গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখেছিলেন তাঁর বাবা, যিনি পেশায় একটি বেসরকারি স্কুলের শিক্ষক। মধ্যবিত্ত পরিবারের আর্থিক সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও ছেলের স্বপ্নপূরণে কখনও পিছিয়ে যাননি তিনি। আল-আমিন মিশনে পড়াশোনা ও প্রস্তুতির মাধ্যমে সেই স্বপ্নপূরণের পথে বড় পদক্ষেপ করেছে আবু। তাঁর এই সাফল্যে খুশি পরিবার, আত্মীয়স্বজন, শিক্ষক-শিক্ষিকা, বন্ধু এবং গ্রামবাসীরা। আবু জানিয়েছে, বাবার স্বপ্ন ছিল, সে বড় হয়ে মানুষের চিকিৎসা করবে এবং সেবা করবে। পানিপিয়া থেকে কলকাতার মেডিকেল কলেজে পৌঁছনোর এই সাফল্য এলাকার বহু পড়ুয়ার কাছেও অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে।
