মদ্যপানের আসরে কী নিয়ে ঝামেলা?
পুলিশের প্রাথমিক তদন্ত অনুযায়ী, ঘটনার দিন রাতে বিশাল ও প্রভু একসঙ্গে বসে মদ্যপান করছিলেন। সেই সময় কোনও একটি বিষয়কে কেন্দ্র করে দু’জনের মধ্যে মতবিরোধ তৈরি হয়। প্রথমে শুরু হয় কথা কাটাকাটি। পরে সেই তর্কাতর্কি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ, বচসার একপর্যায়ে রাগের মাথায় বিশালের উপর ঝাঁপিয়ে পড়েন প্রভু। এলোপাথাড়ি লাথি ও ঘুষি মারতে থাকেন তিনি। আক্রমণের তীব্রতায় গুরুতর আহত হন বিশাল। শেষপর্যন্ত ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ। বন্ধুর দেহ বস্তায় ভরে খালে ফেলে দেন
বন্ধুর মৃত্যু বুঝতে পেরে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন প্রভু। আচমকা ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় কী করবেন, তা বুঝে উঠতে পারছিলেন না তিনি। এরপর সাহায্যের জন্য বাড়িওয়ালার কাছে ছুটে যান অভিযুক্ত। পুলিশের দাবি, প্রভু ও তাঁর বাড়িওয়ালা মিলে খুনের ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার পরিকল্পনা করেন। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী, বিশালের দেহ একটি বস্তায় ভরা হয়। পরে সেই বস্তাবন্দি দেহ খালের জলে ফেলে দেওয়া হয়। তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল, দেহের হদিস না মিললে খুনের ঘটনা সামনে আসবে না। ফলে পুলিশের হাত থেকেও রেহাই পাওয়া যাবে।
