Last Updated:
অভিযোগ, নাসেরা বেগম নিজের দেওরের কাছ থেকে ৬৫ হাজার টাকার বিনিময়ে চার ছটাক জমি কিনেছিলেন। পরবর্তী সময়ে ওই জমি তাঁর দুই ভাইপো আসপিয়া শেখ ওরফে চাঁদ এবং শেখ সিকান্দার ওরফে ডালিমের কাছে ফের বিক্রি করে দেন দেওর। এরপর থেকেই জমি ছেড়ে দেওয়ার জন্য নাসেরার উপর চাপ দিতে শুরু করেন দুই ভাইপো।
পূর্ব বর্ধমান: সম্পত্তি সংক্রান্ত বিবাদকে কেন্দ্র করে এক মহিলাকে মারধর ও ইট দিয়ে থেঁতলে খুনের অভিযোগে চারজনকে গ্রেপ্তার করল শক্তিগড় থানার পুলিশ। ধৃতদের নাম আসমা বেগম ওরফে আসমিনা খাতুন, আনারকলি বিবি, আসমাতারা বেগম এবং হাসিনা খাতুন ওরফে হাসি বেগম। রবিবার তাঁদের বর্ধমান আদালতে পেশ করা হয়।
শক্তিগড়ের ঘাটশিলার বাসিন্দা নাসেরা বেগমের উপর সম্পত্তি সংক্রান্ত বিবাদের জেরে তাঁর দুই ভাইপো, স্বামী-সহ পরিবারের অন্য সদস্যরা চড়াও হন বলে অভিযোগ। নাসেরা বেগম, তাঁর মেয়ে ইসমোতারা খাতুন এবং মা মর্জিনা বেগমকে মারধর করা হয়। এমনকী, ইট দিয়ে থেঁতলে তাঁদের খুনের চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ। গুরুতর আহত অবস্থায় তিনজনকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক নাসেরা বেগমকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। তাঁর মেয়ে ইসমোতারা খাতুন ও মা মর্জিনা বেগম বর্তমানে চিকিৎসাধীন।
অভিযোগ, নাসেরা বেগম নিজের দেওরের কাছ থেকে ৬৫ হাজার টাকার বিনিময়ে চার ছটাক জমি কিনেছিলেন। পরবর্তী সময়ে ওই জমি তাঁর দুই ভাইপো আসপিয়া শেখ ওরফে চাঁদ এবং শেখ সিকান্দার ওরফে ডালিমের কাছে ফের বিক্রি করে দেন দেওর। এরপর থেকেই জমি ছেড়ে দেওয়ার জন্য নাসেরার উপর চাপ দিতে শুরু করেন দুই ভাইপো।
অভিযোগ, এই বিবাদের জেরেই শনিবার সকালে নাসেরা বেগমের বাড়িতে ঢুকে হামলা চালান তাঁর দুই ভাইপো-সহ পরিবারের অন্য সদস্যরা। সেই সময় তাঁর স্বামী শেখ লুৎফর রহমানও উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। ইট, বাঁশ ও শাবল দিয়ে তিন মহিলাকে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। তাঁদের চিৎকার শুনে স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে এসে আহতদের উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক নাসেরা বেগমকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
ঘটনার তদন্তে নেমে চার মহিলাকে গ্রেফতার করেছে শক্তিগড় থানার পুলিশ। ধৃতদের রবিবার বর্ধমান আদালতে পেশ করা হয়।

