Last Updated:
পরে তাঁকে বর্ধমান থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। আজ ভোরে সাইদুলকে বর্ধমান থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। আজই তাঁকে বর্ধমান আদালতে তোলা হবে।
পূর্ব বর্ধমান: দাড়ি-গোঁফ কেটে ভোল বদলে ফেলেছিলেন ভুয়ো ডাক্তার সাইদুল হক। পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে রাতারাতি রাজ্য ছেড়ে প্রথমে হায়দরাবাদে পালিয়ে যান তিনি। সেখান থেকে বিমানে দুবাই। এক মাস পর দুবাই থেকে দিল্লি ফেরার সময় দিল্লি বিমানবন্দরে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে তাঁকে বর্ধমান থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। আজ ভোরে সাইদুলকে বর্ধমান থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। আজই তাঁকে বর্ধমান আদালতে তোলা হবে।
সম্প্রতি রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর পাঁচ জন ভুয়ো ডাক্তারকে চিহ্নিত করে তাঁদের রেজিস্ট্রেশন বাতিল করে। তাঁদের মধ্যে ছিলেন সাইদুল হকও। রাজ্যজুড়ে তাঁর চিকিৎসার পসার ছিল বলে জানা গিয়েছে। বিভিন্ন নার্সিংহোমের সঙ্গেও তিনি যুক্ত ছিলেন। এমনকী অস্ত্রোপচারও করতেন বলে অভিযোগ।
গত ২ সেপ্টেম্বর বর্ধমানের নবাবহাটের একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে ফাইমোসিসের অস্ত্রোপচারের পর মৃত্যু হয় চার বছরের শিশু অরণ্য রায়ের। ওই অস্ত্রোপচার করেছিলেন সাইদুল হক।
মৃত শিশুর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত কমিটি গঠন করে জেলা স্বাস্থ্য দফতর। তদন্তে নার্সিংহোমের বিরুদ্ধে একাধিক অসঙ্গতি উঠে আসে। এরপর ওই নার্সিংহোমে চিকিৎসা সংক্রান্ত সমস্ত কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। গ্রেফতার করা হয় নার্সিংহোমের দুই মালিককে। তবে খোঁজ মিলছিল না অভিযুক্ত চিকিৎসক সাইদুলের।
অবশেষে দিল্লি বিমানবন্দরে গ্রেফতারের পর পুলিশের জালে এলেন সাইদুল হক। এখন তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তাঁর পালিয়ে যাওয়া এবং গোটা ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত আরও তথ্য জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।

