Last Updated:
Indranil Sen: সেই টাকার উৎস কী, কী ধরনের লেনদেন হয়েছে এবং ওই আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে ইন্দ্রনীল সেনের মামলার কোনও যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন তদন্তকারীরা৷
কলকাতা: একাধিকবার নোটিস পাঠানোর পর অবশেষে লালবাজারে হাজির হলেন প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের মেয়ে। লালবাজার সূত্রে খবর, দুর্গাপুজোর পাস বিক্রির টাকা আভেরির অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয়, একই সঙ্গে সরকারি টেন্ডার দুর্নীতির টাকাও ঢুকেছে বলে অভিযোগ।
সূত্রের খবর, তদন্তকারীদের নজরে ছিল তাঁর নামে থাকা দুটি সংস্থা। অভিযোগ, ওই দুই সংস্থার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা জমা পড়েছিল। সেই টাকার উৎস কী, কী ধরনের লেনদেন হয়েছে এবং ওই আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে ইন্দ্রনীল সেনের মামলার কোনও যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন তদন্তকারীরা। তাঁর বয়ান থেকে তদন্তে নতুন কোনও তথ্য উঠে আসে কি না, এখন সেদিকেই নজর তদন্তকারীদের।
বুধবার শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে তদন্তকারীদের মুখোমুখি হননি ইন্দ্রনীল সেনের কন্যা। জানিয়েছিলেন বৃহস্পতিবার হাজিরা দেবেন৷ সেই অনুযায়ী আজ দুপুর ২টোয় তাঁকে হাজিরার সময় দেওয়া হয়। এই দুর্নীতি মামলায় এখনও পর্যন্ত ইন্দ্রনীল সেনের স্ত্রী-সহ মোট ৮ থেকে ৯ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন লালবাজারের গোয়েন্দারা। জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে সংস্থার কয়েকজন কর্মীকেও। প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের বিরুদ্ধে ওঠা আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে গঠিত বিশেষ তদন্তকারী দলের (SIT) সদস্য সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। প্রথমে পাঁচ সদস্যের SIT গঠন করা হয়েছিল। পরে আরও চারজন সদস্যকে যুক্ত করা হয়েছে। ফলে বর্তমানে SIT-এর সদস্য সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৯।
প্রতারণা মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন প্রাক্তন প্রতিমন্ত্রী তথা গায়ক ইন্দ্রনীল সেন। কলকাতার দুর্গাপুজোয় ইউনেস্কোর স্বীকৃতি মেলার পর তৃণমূল আমলে কলকাতার বিভিন্ন নামী মণ্ডপ পরিদর্শনের পাস বিক্রি সংক্রান্ত প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। বুধবার ইডি-র দফতর থেকে বেরোতেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। পুজো কার্নিভাল, বইমেলায় দুর্নীতি নিয়েও অভিযোগ ছিল ইন্দ্রনীল সেনের বিরুদ্ধে। গত বুধবার মাস আর্ট মামলার তদন্তে ইন্দ্রনীল সেনকে গ্রেফতার করে কলকাতা পুলিশের ডিডি স্পেশাল সেল। ইন্দ্রনীল সেনের বিরুদ্ধে পুজোর পাসে দুর্নীতি সংক্রান্ত মূল অভিযোগটি দায়ের করা হয়েছিল কলকাতা পুলিশের কাছে। বৌবাজার থানায় অভিযোগ দায়ের করেন জয়দীপ মুখোপাধ্যায় নামে এক ব্যক্তি। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতেই এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল।

