Headlines

CM Suvendu Adhikari: তোলাবাজির অভিযোগ পেলে ১৫ মিনিটেই ব্যবস্থা, নয়া শিল্পনীতির মঞ্চে ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর | লেটেস্ট কলকাতার খবর


রাজ্যে শিল্পের জোয়ার আনতে নতুন শিল্পনীতি ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। বৃহস্পতিবার ইকো পার্কে আনুষ্ঠানিকভাবে এই শিল্পনীতির উদ্বোধন করা হয়। বাংলায় বিনিয়োগ বাড়ানো, নতুন কর্মসংস্থান তৈরি এবং বন্ধ শিল্পকে পুনরুজ্জীবিত করাই এই নীতির অন্যতম লক্ষ্য। নিয়োগ প্রসারনীতি ২০২৬-এর প্রকাশ অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলাপচারিতায় বসেন শিল্পপতিরা৷ তাঁরা নিজেরাই জানান তোলাবাজির সমস্যা আর নেই।

নিয়োগ প্রসারনীতি ২০২৬-এর প্রকাশ অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলাপচারিতায় বসেন শিল্পপতিরা৷ তাঁরা নিজেরাই জানান তোলাবাজির সমস্যা আর নেই।

নিয়োগ প্রসারনীতি ২০২৬-এর প্রকাশ অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আলাপচারিতায় বসেন শিল্পপতিরা৷ তাঁরা নিজেরাই জানান তোলাবাজির সমস্যা আর নেই।

আরক্ষা ভবনে মিলবে সব রাস্তার ফুটেজ: মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আরক্ষা ভবনে গেলে রাজ্যের সমস্ত রাস্তার CCTV ফুটেজ পাওয়া যাবে। কোথায় কী ঘটছে, সবটাই নজরে রাখা সম্ভব।

ডানকুনি ও পালসিটে যানজট নিয়ন্ত্রণ: তাঁর দাবি, আগে টোল প্লাজার সামনে যে ধরনের সমস্যা বা যানজট হত, এখন তা বন্ধ হয়েছে। নজরদারির ফলে ডানকুনি ও পালসিটেও ট্রাফিক সমস্যা কমেছে।

ED-CBI তদন্তের আওতায় থাকা ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্ক নয়: যাঁদের বিরুদ্ধে ED, CBI বা আয়কর দফতর তদন্ত করছে, তাঁদের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর কোনও ওয়ার্কিং রিলেশন থাকবে না বলে জানান তিনি।

ঋণ নিয়ে ব্যাঙ্ক প্রতারণার অভিযোগ: জাতীয় ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নিয়ে যাঁরা প্রতারণা করেছেন, তাঁদের সঙ্গেও সরকারি বা কর্মক্ষেত্রের সম্পর্ক রাখা হবে না বলে স্পষ্ট করেন মুখ্যমন্ত্রী। ব্যক্তিগতভাবে হাই-হ্যালো হতে পারে।

শিল্পনীতি নিয়ে মন্ত্রীগোষ্ঠী গঠন: শিল্পায়ন ও জমি নীতি নিয়ে আলোচনার জন্য একটি মন্ত্রীগোষ্ঠী তৈরি করা হয়েছিল। গত তিন মাস ধরে তারা কাজ করেছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।

মুখ্যসচিবের বৈঠক: এই নীতি নিয়ে মুখ্যসচিব সমস্ত দফতরের প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। শঙ্কর ঘোষ ও অশোক দিন্দাও কিছু প্রস্তাব পাঠিয়েছেন বলে জানান তিনি।

২ কোটি তরুণ-তরুণী ও ৮ লক্ষ পরিযায়ী শ্রমিকের প্রসঙ্গ: মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, রাজ্যের প্রায় ২ কোটি তরুণ-তরুণী এবং ৮ লক্ষ পরিযায়ী শ্রমিক রাজ্য ছেড়ে চলে গিয়েছেন।

নন্দীগ্রাম ও জমি অধিগ্রহণ প্রসঙ্গ: বাম আমলের জমি অধিগ্রহণ নীতি এবং নন্দীগ্রামের ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। হলদিয়া ডেভেলপমেন্ট অথরিটির জমি অধিগ্রহণের ক্ষমতা নিয়েও মন্তব্য করেন তিনি।

২০১৩ সালের জমি নীতি গ্রহণ: মুখ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্যে ২০১৩ সালের জমি নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। শিল্পায়নের ক্ষেত্রে সরকার ইতিবাচক ভূমিকা নিতে চায়।

কাটমানি, সিন্ডিকেট ও তোলাবাজি বন্ধের প্রতিশ্রুতি: শিল্পের পরিবেশ তৈরি করতে কাটমানি, সিন্ডিকেট ও তোলাবাজি ১০০ শতাংশ বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

তাজপুর বন্দর ও আদানি প্রসঙ্গ: মুখ্যমন্ত্রী জানান, গৌতম আদানির সঙ্গে তাঁর দেখা হয়েছে। আদানি তাঁকে জানিয়েছেন, তাঁরা এক একর জমিও পাননি। এরপর তাঁকে দাদনপাত্রবাড়ি এলাকা দেখার কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর স্লোগান, ‘Invest in Bengal, Grow in Bengal’।

 রাজস্ব বৃদ্ধি ও পাঁচ বছরের লক্ষ্যমাত্রা: মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, গত বছরের তুলনায় রাজ্যের রাজস্ব ৪,০০০ কোটি টাকা বেড়েছে। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে রাজ্যের বাইরে চলে যাওয়া টাকা ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। পাশাপাশি বলেন, আগামী দু’বছর ধৈর্য ধরতে। সরকারের প্রতিশ্রুতি ১০০ শতাংশ পূরণ করা হবে।

উল্লেখ্য, বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার আগে থেকেই বাংলায় শিল্প স্থাপন এবং বিনিয়োগ বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে এসেছে। সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নতুন শিল্পনীতিতে একাধিক আর্থিক সুবিধা ও পরিকাঠামোগত সহায়তার কথা ঘোষণা করা হয়েছে। বিনিয়োগের পরিমাণ, শিল্পের ধরন এবং এলাকার ভিত্তিতে মিলবে বিভিন্ন ধরনের সুবিধা। উৎপাদন শিল্প থেকে শুরু করে পরিষেবা ক্ষেত্র, সেমিকন্ডাক্টর, বৈদ্যুতিক গাড়ি এবং প্রতিরক্ষা শিল্পকেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *