Headlines

Nadia News: দান নয়, বিক্রি! বাতিল শাড়ি-পোশাক পুনর্ব্যবহারে খুলেছে উপার্জনের নতুন দিশা |


Last Updated: Nov 05, 2026, 18:03 IST

উৎসব কিংবা পুজোর মরশুমে নতুন পোশাক কেনার আনন্দের পাশাপাশি প্রতিটি পরিবারেই জমা হতে থাকে পুরোনো শাড়ি ও জামাকাপড়। এক সময় বাতিল এই বস্ত্র বিনা মূল্যে অন্যকে দান করার চল থাকলেও, বর্তমানে তা গ্রামীণ অর্থনীতিতে এক সুসংগঠিত ও লাভজনক ব্যবসার রূপ নিয়েছে। বাড়ি বাড়ি ঘুরে পুরোনো কাপড় সংগ্রহ থেকে শুরু করে পাইকারি বাজারে বিক্রি—এই বৃত্তকে কেন্দ্র করে আজ বহু মানুষের জীবিকা নির্বাহ হচ্ছে। পাড়া-গাঁয়ে ঘুরে ঘুরে হকার বা ফেরিওয়ালারা গৃহস্থের বাড়ি থেকে বাতিল শাড়ি ও জামাকাপড় সংগ্রহ করেন। গৃহবধূরা অনেক সময় নগদ টাকার বিনিময়ে তা বিক্রি করেন, আবার কখনও পুরোনো কাপড়ের বদলে সংসারের প্রয়োজনীয় নানা বাসনপত্র ও সামগ্রী নিয়ে নেন। সংগ্রহ করা এই কাপড় ফেরিওয়ালারা স্থানীয় আড়তে এনে বিক্রি করেন। ক্ষেত্রবিশেষে মান ও ধরন অনুযায়ী প্রতিটি কাপড় ১০ থেকে ১৫ টাকা কিংবা ২০ থেকে ২২ টাকা দরে হাতবদল হয়। স্থানীয় স্তরে সামান্য লাভে এই ব্যবসা চলার পর বড় মহাজনদের হাত ধরে তা পৌঁছে যায় বৃহত্তর বাজারে। ১৫ বছর ধরে এই ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত নদিয়ার ব্যবসায়ী ব্রজ গোপাল বসাক জানান, পাড়ায় পাড়ায় ঘুরে হকারদের এনে দেওয়া কাপড় জমা হওয়ার পর বড় মহাজনরা গাড়ি নিয়ে এসে মাল তুলে নিয়ে যান।উৎসব কিংবা পুজোর মরশুমে নতুন পোশাক কেনার আনন্দের পাশাপাশি প্রতিটি পরিবারেই জমা হতে থাকে পুরোনো শাড়ি ও জামাকাপড়। এক সময় বাতিল এই বস্ত্র বিনা মূল্যে অন্যকে দান করার চল থাকলেও, বর্তমানে তা গ্রামীণ অর্থনীতিতে এক সুসংগঠিত ও লাভজনক ব্যবসার রূপ নিয়েছে। বাড়ি বাড়ি ঘুরে পুরোনো কাপড় সংগ্রহ থেকে শুরু করে পাইকারি বাজারে বিক্রি—এই বৃত্তকে কেন্দ্র করে আজ বহু মানুষের জীবিকা নির্বাহ হচ্ছে। পাড়া-গাঁয়ে ঘুরে ঘুরে হকার বা ফেরিওয়ালারা গৃহস্থের বাড়ি থেকে বাতিল শাড়ি ও জামাকাপড় সংগ্রহ করেন। গৃহবধূরা অনেক সময় নগদ টাকার বিনিময়ে তা বিক্রি করেন, আবার কখনও পুরোনো কাপড়ের বদলে সংসারের প্রয়োজনীয় নানা বাসনপত্র ও সামগ্রী নিয়ে নেন। সংগ্রহ করা এই কাপড় ফেরিওয়ালারা স্থানীয় আড়তে এনে বিক্রি করেন। ক্ষেত্রবিশেষে মান ও ধরন অনুযায়ী প্রতিটি কাপড় ১০ থেকে ১৫ টাকা কিংবা ২০ থেকে ২২ টাকা দরে হাতবদল হয়। স্থানীয় স্তরে সামান্য লাভে এই ব্যবসা চলার পর বড় মহাজনদের হাত ধরে তা পৌঁছে যায় বৃহত্তর বাজারে। ১৫ বছর ধরে এই ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত নদিয়ার ব্যবসায়ী ব্রজ গোপাল বসাক জানান, পাড়ায় পাড়ায় ঘুরে হকারদের এনে দেওয়া কাপড় জমা হওয়ার পর বড় মহাজনরা গাড়ি নিয়ে এসে মাল তুলে নিয়ে যান।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *