Headlines

‘প্রবলেম হয়ে থাকলে জ্যোতিবাবুর আমলেই হয়েছে, বুদ্ধদেব শুধু কার্যকর করেছেন!’ শিল্পনীতি নিয়ে শুভেন্দুর আক্রমণের মুখে জ্যোতি বসুর ঘাড়ে দোষ চাপালেন বিমান? | লেটেস্ট কলকাতার খবর


Last Updated:

Biman Bose on New Industrial Policy: বাম আমলের শিল্পনীতি নিয়ে শুভেন্দুর আক্রমণ, বুদ্ধদেবকে আড়াল করতে দায় কি জ্যোতি বসুর ঘাড়ে চাপালেন বিমান?

শিল্পনীতি নিয়ে শুভেন্দুর আক্রমণের মুখে জ্যোতি বসুর ঘাড়ে চাপালেন বিমান
শিল্পনীতি নিয়ে শুভেন্দুর আক্রমণের মুখে জ্যোতি বসুর ঘাড়ে চাপালেন বিমান

কলকাতা: নতুন শিল্পনীতি ঘোষণার মঞ্চ থেকে বৃহস্পতিবার বাম জমানার জমি অধিগ্রহণ নীতির তীব্র সমালোচনা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর নিশানায় ছিল মূলত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের আমলে জমি অধিগ্রহণের পদ্ধতি। আর শুভেন্দুর সেই আক্রমণের জবাব দিতে গিয়ে বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু বুদ্ধদেবের পূর্বসূরি জ্যোতি বসুর নেতৃত্বাধীন সরকারের উপরেই শিল্পনীতির দায় চাপালেন? প্রশ্ন উঠছে রাজনৈতিক মহলে।

বৃহস্পতিবার ইকোপার্কে সরকারি কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু বলেন, ২০০৭ সালের ৭ জানুয়ারি তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য রাইটার্স বিল্ডিংয়ের সামনে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছিলেন যে, হলদিয়া উন্নয়ন পর্ষদের জমি অধিগ্রহণের বিজ্ঞপ্তি জারি করার আইনি ক্ষমতা নেই। ১৮৯৪ সালের ব্রিটিশ ভূমি আইন অনুযায়ী, এই ক্ষমতা একমাত্র জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা কালেক্টরের ছিল, কোনও উন্নয়ন পর্ষদের নয়। শুভেন্দুর অভিযোগ, দলের অভ্যন্তরীণ চাপে সেই নির্দেশ উপেক্ষা করার পরিণতিতেই ২০০৭ সালের ১৪ মার্চ নন্দীগ্রামে ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছিল।

বৃহস্পতিবার এসপ্ল্যানেডে ভোটচুরির প্রতিবাদে বামেদের কর্মসূচির পরেই এই মন্তব্য করেন বিমান। তাঁর বক্তব্যকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠছে, তবে কি বুদ্ধদেবের আমলের শিল্পনীতি নিয়ে সমালোচনার দায় এড়াতেই জ্যোতি বসুর সময়ের দিকে আঙুল তুললেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান? অনেকের মতে, বিমানের এই মন্তব্য কার্যত জ্যোতি বসু ও বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের জমানার মধ্যে বিভাজন তৈরি করেছে।

আরও পড়ুন: সিঙ্গুরে ফিরছে শিল্প! অশোক লেল্যান্ডের সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা, বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর 

যদিও সিপিএমের প্রথম সারির কোনও নেতা প্রকাশ্যে এই বিষয়ে এখনও মুখ খোলেননি। তবে দলের অন্দরে প্রশ্ন উঠছে, সিপিএমের মতো সংগঠননির্ভর দল পরিচালিত সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত কি দলীয় নেতৃত্বের অজান্তে নেওয়া সম্ভব? ২০০৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৎকালীন সিপিএম রাজ্য সম্পাদক অনিল বিশ্বাসের মৃত্যু হয়। এরপর রাজ্য সম্পাদকের দায়িত্ব নেন বিমান বসু। সেই নির্বাচনে ২৩৫টি আসন জিতে সপ্তম বামফ্রন্ট সরকার ক্ষমতায় আসে। পরবর্তী সময়ে শিল্পায়নে আগ্রাসী পদক্ষেপ করেন বুদ্ধদেব।

দলের একাংশের ঘরোয়া আলোচনায় তাই বলা হচ্ছে, বুদ্ধদেবের আমলের শিল্পনীতি নিয়ে প্রশ্ন উঠলে তৎকালীন রাজ্য সম্পাদক হিসেবে বিমানের উপরেও সেই দায় বর্তায়। রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা, সেই দায় এড়াতেই সম্ভবত জ্যোতি বসুর নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রসঙ্গ সামনে এনেছেন বিমান। তাঁর মন্তব্যে সিপিএমের অন্দরের পুরনো প্রশ্নই নতুন করে সামনে এল।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *