Headlines

Govt. Hospital: স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পরিদর্শনের পরেই ভোলবদল, এবার ঝড়ের গতিতে পরিবর্তনের হাওয়া হাসপাতালে! বেজায় খুশি চিকিৎসক, নার্স সকলে | Mongalkote Singat Rural Hospital gets infrastructure upgrade and doctor quarters renovation following state health minister visit | পূর্ব বর্ধমান


Last Updated:

Govt, Hospital: মঙ্গলকোট সিঙ্গত গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসক ও কর্মীদের আবাসন সংস্কারের উদ্যোগ। স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পরিদর্শনের পরই পরিকাঠামো উন্নয়নে সক্রিয় পূর্ত দফতর ও হাসপাতাল প্রশাসন। পাশাপাশি হাসপাতালে পরিষেবা উন্নতির দিকেও জোর। খুশি স্থানীয়রা।

হাসপাতাল সংস্কারে আশার আলো, খুশি স্থানীয়রা
হাসপাতাল সংস্কারে আশার আলো, খুশি স্থানীয়রা

মঙ্গলকোট, পূর্ব বর্ধমান, বনোয়ারীলাল চৌধুরী: স্বাস্থ্যমন্ত্রীর হাসপাতাল পরিদর্শনের পরই নড়েচড়ে বসল প্রশাসন। গত ২২ আগস্ট মঙ্গলকোটের সিঙ্গত গ্রামীণ হাসপাতাল পরিদর্শনে এসেছিলেন রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। তাঁর পরিদর্শনের প্রায় দু’সপ্তাহের মধ্যেই হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের পুরনো আবাসন পরিদর্শন করলেন পূর্ত দফতরের ইঞ্জিনিয়াররা। হাসপাতাল সূত্রের খবর, খুব শীঘ্রই ওই আবাসন সংস্কারের কাজ শুরু হতে পারে। দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ আবাসনে থাকা চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে তাই স্বস্তি ফিরেছে।

একসময় সিঙ্গত গ্রামীণ হাসপাতাল মঙ্গলকোট এলাকার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসাকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ছিল। বড় পরিকাঠামোর এই হাসপাতালে পুরুষ ও মহিলাদের জন্য আলাদা ওয়ার্ড ছিল। সদ্যোজাত শিশুদের চিকিৎসার জন্য ছিল এসএনএসইউ পরিষেবাও। আশপাশের প্রত্যন্ত এলাকার বহু মানুষ চিকিৎসার জন্য এই হাসপাতালের ওপর নির্ভর করতেন। তবে সময়ের সঙ্গে হাসপাতালের পুরনো পরিকাঠামোর বেশ কিছু অংশের অবস্থা খারাপ হয়েছে। রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে হাসপাতালের বিভিন্ন জায়গায় জীর্ণতার ছাপ স্পষ্ট। বড় পরিকাঠামো থাকলেও তার অনেকটাই বর্তমানে ঠিকমতো ব্যবহার করা যায় না বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

আরও পড়ুন: কচুরিপানা কেড়ে নিচ্ছে রোজগার, গঙ্গাজলের বাজারেও টান পড়ার আশঙ্কা! কীভাবে বিপদে ফেলছে চূর্ণী নদী?

তাই হাসপাতালের পুরনো পরিকাঠামো সংস্কারের পাশাপাশি আগের মতো আরও বেশি চিকিৎসা পরিষেবা চালুর দাবি দীর্ঘদিনের। এরই মধ্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পরিদর্শনকে ঘিরে নতুন করে আশার আলো দেখছেন চিকিৎসক এবং এলাকার বাসিন্দারা। পরিদর্শনের সময় চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের থাকার আবাসনের বেহাল অবস্থাও নজরে আসে। দীর্ঘদিনের পুরনো ওই আবাসনের বিভিন্ন অংশ ভেঙে পড়ার মতো অবস্থায় রয়েছে। আবাসন সংস্কারের জন্য চিকিৎসকদের পক্ষ থেকেও দাবি জানানো হয়েছিল বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে। সেই দাবির পরিপ্রেক্ষিতেই এবার পূর্ত দফতরের ইঞ্জিনিয়াররা আবাসনটি ঘুরে দেখলেন।

আরও পড়ুন: বছরের পর বছর জলযন্ত্রণার অবশেষে মুক্তি, চিরচেনা দুর্ভোগের ছবিটা কোন ফর্মুলায় বদলে যাচ্ছে হাওড়ায়?

বর্তমানে সিঙ্গত গ্রামীণ হাসপাতালে ৮ জন চিকিৎসক, ১২ জন নার্স এবং ৩ জন গ্রুপ-ডি কর্মী রয়েছেন। তাঁদের থাকার জন্য তৈরি পুরনো আবাসন সংস্কারের উদ্যোগ শুরু হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই খুশি হাসপাতালের কর্মীরা। তবে শুধু আবাসন সংস্কার নয়, হাসপাতালের চিকিৎসা পরিষেবা এবং পরিকাঠামো উন্নয়নের দিকেও নজর দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। হাসপাতালের সুপার অমিত কুমার রক্ষিত জানান, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পর হাসপাতালে ইতিমধ্যেই ইসিজি পরিষেবা চালু হয়েছে। খুব শীঘ্রই ইউএসজি এবং এক্স-রে পরিষেবাও চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি আগামী দিনে রক্তের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষার পরিষেবা চালু করার পরিকল্পনাও রয়েছে। নতুন পরিষেবাগুলি চালু হলে মঙ্গলকোট ও আশপাশের এলাকার মানুষের অনেকটাই উপকার হবে বলে মনে করা হচ্ছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *