Last Updated:
Samik Bhattacharya: একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বিমান বসু বলেছেন, ‘‘বামফ্রন্ট সরকারের শিল্পনীতি গ্রহণ ও ঘোষণার সময় নেতৃত্বে ছিলেন জ্যোতি বসু। সেই শিল্পনীতি নিয়ে কোনও সমস্যা হয়ে থাকলে তার দায় জ্যোতি বসুর নেতৃত্বাধীন সরকারের। বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য সেই নীতি কার্যকর করার দায়িত্ব পেয়েছিলেন।’’
কলকাতা: বিজেপি সরকারের শিল্প নীতি গত বৃহস্পতিবারই এসেছে প্রকাশ্যে৷ সেই কথা ঘোষণা করার সময়েই মূলত বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের আমলের শিল্প নীতি নিয়ে সমালোচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী৷ তাঁর মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু জানান, শিল্প নীতি নিয়ে সমস্যা থাকলে তা জ্যোতি বসুর দায়, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য কেবল জ্যোতি বসুর জমানার শিল্প নীতি কার্যকর করেছিলেন মাত্র৷ তাঁর এই মন্তব্যের পরেই শুরু হয়েছে জোর চর্চা৷
এপ্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘এটা বিলম্বিত বোধোদয়৷ কিন্তু, এই বলাটার সাহস দেখিয়েছেন উনি, তার জন্য ওনাকে অনেক অনেক অভিনন্দন৷ বাম জমানাতেই কার্যত এখানে একটা শিল্প বিরোধী পরিবেশ তৈরি হয়ে গিয়েছিল৷’’
শমীক ভট্টাচার্য মনে করিয়ে দেন, ‘‘বিড়লার কর্ণধার আদিত্য বিড়লাকে শারীরিক ভাবে নিগৃহীত করে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল৷ কম্পিউটার ঢুকতে দেননি৷ পরবর্তী কালে, জ্যোতি বসু বলেছিলেন, ‘আই ডু এক্সপ্রেস মাই সলিডারিটি দোজ হু হ্য়াভ বিন ফাইটিং দিস ইনহিউম্যান অটোমেশন৷ এগুলো মানুষের জানা, মাসুল সমীকরণ নীতি নিঃসন্দেহে একটা বাধা ছিল, কিন্তু তারপর, ট্রেড ইউনিয়াজম এখানে শিল্পের পথে বাধা ছিল৷’’
বাম আমলের পাশাপাশি শমীক ভট্টাচার্য তৃণমূল জমানাকেও নিশানা করেন৷ তাঁর কথায়, শিল্পের অযোগ্য পরিবেশের সমস্যা তৃণমূল জমানাতেও তা অব্যাহত ছিল৷ তিনি বলেন, ‘‘তোলাবাজি, আইনশৃঙ্খলার অবনতি৷ এসবের জন্য শিল্প আসেনি৷ নতুন সরকার এসেছে, চেষ্টা করা হচ্ছে৷ রাতারাতি তো সব কিছু বদলে দেওয়া যাবে না৷ গতকাল আমাদের শিল্প নীতি সামনে এসেছে, একই সঙ্গে জমি নীতিও আনা হবে৷’’

