মন্দিরের চাকচিক্য নেই খুব একটা, তবে মন্দিরের প্রাচীনত্ব ও জনশ্রুতি মন্দিরকে জনপ্রিয় করে রেখেছে এলাকায়। কথা হচ্ছে সাগরদ্বীপের আদি কালী মন্দিরকে নিয়ে। একসময় জঙ্গলের মধ্যে ছিল এই কালীমন্দির। পরে জঙ্গল হাসিল করে জনবসতি হলে এই মন্দির স্থাপিত হয়। চারশো বছর ধরে সেখানেই পূজিত হন মা কালী। একটা সময় সাগরদ্বীপ ছিল জঙ্গলে মোড়া, রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের ছিল অবাধ রাজত্ব। জীবন বাজি রেখে কাঠ ও মধু সংগ্রহ করতে আসা সেই বিপদসঙ্কুল জঙ্গলের হিংস্র পশুদের হাত থেকে রক্ষা পেতেই কাঠুরেরা বটগাছের তলায় শুরু করেছিলেন মা কালীর আরাধনা। কালের নিয়মে সেই জঙ্গলঘেরা বটতলার পুজোই আজ সাগরদ্বীপের বিখ্যাত ‘ধসপাড়া আদিকালী মন্দির’-এ রূপান্তরিত হয়েছে। চারশো বছরের প্রাচীন ইতিহাস আজও বয়ে নিয়ে চলেছে এই এলাকা। এই পুজোকে কেন্দ্র করে বর্তমানে সাগরদ্বীপের মানুষজনের মধ্যে উৎসাহ ও উদ্দীপনা তুঙ্গে।মন্দিরের চাকচিক্য নেই খুব একটা, তবে মন্দিরের প্রাচীনত্ব ও জনশ্রুতি মন্দিরকে জনপ্রিয় করে রেখেছে এলাকায়। কথা হচ্ছে সাগরদ্বীপের আদি কালী মন্দিরকে নিয়ে। একসময় জঙ্গলের মধ্যে ছিল এই কালীমন্দির। পরে জঙ্গল হাসিল করে জনবসতি হলে এই মন্দির স্থাপিত হয়। চারশো বছর ধরে সেখানেই পূজিত হন মা কালী। একটা সময় সাগরদ্বীপ ছিল জঙ্গলে মোড়া, রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের ছিল অবাধ রাজত্ব। জীবন বাজি রেখে কাঠ ও মধু সংগ্রহ করতে আসা সেই বিপদসঙ্কুল জঙ্গলের হিংস্র পশুদের হাত থেকে রক্ষা পেতেই কাঠুরেরা বটগাছের তলায় শুরু করেছিলেন মা কালীর আরাধনা। কালের নিয়মে সেই জঙ্গলঘেরা বটতলার পুজোই আজ সাগরদ্বীপের বিখ্যাত ‘ধসপাড়া আদিকালী মন্দির’-এ রূপান্তরিত হয়েছে। চারশো বছরের প্রাচীন ইতিহাস আজও বয়ে নিয়ে চলেছে এই এলাকা। এই পুজোকে কেন্দ্র করে বর্তমানে সাগরদ্বীপের মানুষজনের মধ্যে উৎসাহ ও উদ্দীপনা তুঙ্গে।
Source link
ঘন জঙ্গলে বাঘের হাত থেকে বাঁচতে শুরু পুজো, আজও অমলিন সাগরের আদিকালী মন্দিরের ঐতিহ্য
