Last Updated:
উৎসবের মরশুমে এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় শোকস্তব্ধ গোটা এলাকা। যে আলোয় উৎসবের আনন্দে মেতে ওঠার কথা ছিল, সেই আলো লাগাতে গিয়েই অকালে প্রাণ হারালেন ওই যুবক।
শিলিগুড়ি, ঋত্বিক ভট্টাচার্য: উৎসবের আলোয় ঘর সাজাতে গিয়েই নেমে এল অন্ধকার। দীপাবলির সাজসজ্জার জন্য বাড়ির ছাদে লাইট লাগাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু হল এক যুবকের। মৃতের নাম অনন্ত বিশ্বাস বলে জানা গিয়েছে ৷ শনিবার বিকেলে ঘোগোমালি মেইন রোডের পাইপলাইন এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে শোকের ছায়া নেমে এসেছে এলাকায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার বিকেল সাড়ে পাঁচটা নাগাদ দীপাবলি উপলক্ষে বাড়ির ছাদে আলোর সাজসজ্জার কাজ করছিলেন ওই যুবক। সেই সময় আচমকাই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন তিনি। মুহূর্তের মধ্যেই গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন যুবক। ঘটনার পর তড়িঘড়ি তাঁকে উদ্ধার করে শিলিগুড়ি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
জানা গিয়েছে, মৃত যুবকের বাড়ি ময়নাগুড়ি এলাকায়। তিনি একটি দু’চাকার গাড়ির গ্যারেজে কাজ করতেন এবং গ্যারেজের মালিকের বাড়িতেই থাকতেন বলে স্থানীয় সূত্রে খবর।
এদিকে আধুনিক এলইডি আলোর ঝলকানি যতই বাড়ুক, উৎসবের মরশুমে মাটির প্রদীপের কদর এখনও অমলিন ৷ তবে, সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বদলেছে মাটির প্রদীপের ধরনও ৷ একসময়ের সাধারণ মাটির প্রদীপের পাশাপাশি এখন বাজারে বাড়ছে রং-বেরঙের নকশাদার ও ডিজাইনার প্রদীপের চাহিদা ৷ আর সেই চাহিদাকেই হাতিয়ার করে স্বনির্ভরতার পথ খুঁজে নিচ্ছেন বুনিয়াদপুর পুরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের পালপাড়ার মহিলারা ৷ দীপাবলি উপলক্ষে রং ও সৃজনশীলতার ছোঁয়া দিয়ে তৈরি করছেন নানা ধরনের আকর্ষণীয় প্রদীপ ৷ তাতেই যেমন বাড়ছে মৃৎশিল্পীদের ব্যবসা, তেমনই কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হচ্ছে এলাকার মহিলাদের ৷

