Durga Puja Fashion: দুর্গাপুজোর এক্সক্লুসিভ ফ্যাশন ট্রেন্ড! পিওর মালবেরি সিল্কের তাঁতে জীবন্ত মা দুর্গা, এক একটি শাড়ির মজুরিই নাকি ৫০ হাজার টাকা | Weavers in Ghoranash craft pure mulberry silk sarees with Ma Durga motifs for Reliance Swadesh ahead of Durga Puja | লেটেস্ট লাইফস্টাইলের খবর


Last Updated:

Durga Puja Fashion: তাঁতিদের হাতে এবার জন্ম নিচ্ছে এক অপূর্ব শিল্পকর্ম। পিওর মালবেরি সিল্কের কাপড়ে সূক্ষ্ম সুতোর বুননে ফুটে উঠছেন স্বয়ং মা দুর্গা, সঙ্গে তাঁর বাহন সিংহ ও পদ্মফুলের সুনিপুণ নকশা। সাবেকি তাঁতশিল্পের সঙ্গে আধুনিক ফ্যাশন ভাবনার এই মেলবন্ধন ইতিমধ্যেই বিশ্বখ্যাত সংস্থা ‘রিলায়েন্স স্বদেশ’-এর নজর কেড়েছে।

+

পুজোর

পুজোর আগে কাজে ব্যস্ত শিল্পীরা

কাটোয়া, পূর্ব বর্ধমান, বনোয়ারীলাল চৌধুরী: বাঙালির সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপুজো। আর সেই পুজোর আবেগ এবার ফুটে উঠছে পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া মহকুমার ঘোরানাশ গ্রামে তৈরি হওয়া তাঁতের শাড়িতে। মা দুর্গার প্রতিকৃতি, সঙ্গে সিংহ, পদ্মফুলের নকশা। পুরো শাড়ি জুড়ে ফুটে উঠছে সাবেকি তাঁতশিল্পের সঙ্গে আধুনিক ভাবনার মেলবন্ধন। রিলায়েন্স স্বদেশের অর্ডারে পিওর মালবেরি সিল্কের উপর হাতে বোনা হচ্ছে এই বিশেষ শাড়ি। এক একটি শাড়ি তৈরি করতে সময় লাগছে প্রায় দেড় থেকে দু’মাস।

ইতিমধ্যেই ৫০ থেকে ১০০ পিস শাড়ি তৈরির প্রস্তুতি চলছে। ব্যবসায়ী তথা তাঁত শিল্পী রাঘবেন্দ্র সুন্দর দাস বলেন, “আগে আমরা ফাইন খাদি সুতোর মধ্যে করতাম, এ বছর আমরা পিওর সিল্কে করছি, পিওর মালবেরি সিল্কে হচ্ছে। শাড়িটার লম্বা সাড়ে ছয় মিটার, ব্লাউজ পিস ওর সঙ্গেই আছে। এটা পুরো হাতে তৈরি করা হচ্ছে। দেড় মাস থেকে দু মাস টাইম লাগছে একটা শাড়ি বুনতে।” দুর্গাপুজোর আগে এমন অভিনব শাড়ি তৈরি করতে পেরে খুশি ঘোরানাশের তাঁতিরাও। তাঁদের কথায়, এক একটি শাড়ির পিছনে দীর্ঘ সময় ধরে পরিশ্রম করতে হচ্ছে।

আরও পড়ুন: তালপাতার সেপাইয়ে মোটু-পাতলুর ছোঁয়া, সরকার প্রশিক্ষণে বদলে গেল গরিব মায়ের ভাগ্য

প্রতিদিন প্রায় আট থেকে দশ ঘণ্টা তাঁতে বসে কাজ করছেন শিল্পীরা। সূক্ষ্ম নকশা ফুটিয়ে তুলতে চোখের উপরও পড়ছে যথেষ্ট চাপ। একজন তাঁতির ক্ষেত্রে এই বিশেষ শাড়ি তৈরিতে প্রায় দেড় মাস সময় লাগছে, মজুরি মিলছে প্রায় ৫০ হাজার টাকা। গ্রামের বহু তাঁতশিল্পী জামদানি শাড়ি তৈরির সঙ্গে যুক্ত। তাঁদেরই কয়েকটি তাঁতে এবার শুরু হয়েছে মা দুর্গার প্রতিকৃতি ফুটিয়ে তোলার কাজ। তাঁত শিল্পী বরুণ কুমার পাল বলেন, “খুবই ভাল লাগছে। আমি এর আগে শ্রীকৃষ্ণ থিমের উপর শাড়ি বুনেছি, এরকম ডিজাইনের শাড়ি এবার এই দুর্গা প্রথম বুনছি। খুবই ভাল লাগছে।”

আরও পড়ুন: জঙ্গলে বিপদের সময় একমাত্র ‘রক্ষাকবচ’..! সুন্দরবনে আজও অমলিন লোকদেবী বনবিবি, পুরোটা জানুন

একসময় বাংলার গ্রামে গ্রামে তাঁতের শব্দ ছিল পরিচিত ছবি। সময়ের সঙ্গে তাঁতির সংখ্যা কমলেও ঘোরানাশে সেই ঐতিহ্য এখনও টিকে রয়েছে। শিল্পীদের দক্ষতা আর নতুন ডিজাইনের হাত ধরে জামদানি শাড়িতে এবার উঠে আসছে মা দুর্গার প্রতিকৃতি। পুজোর বাজারে এই শাড়ি পৌঁছবে রিলায়েন্স স্বদেশের মাধ্যমে। শুধু একটি শাড়ি নয়, শিল্পীদের কাছে এটি বাংলার তাঁতশিল্পকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ারও এক নতুন সম্ভাবনা।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *