Headlines

East Bardhaman: চার ছটাক জমি নিয়ে বিবাদ গড়াল চরমে, ভাইপোদের প্রহারে প্রাণ গেল কাকিমার! তোলপাড় শক্তিগড় | পূর্ব বর্ধমান


Last Updated:

মাত্র চার ছটাক জমিকে কেন্দ্র করে এমন মর্মান্তিক ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে শক্তিগড় থানার পুলিশ। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ভাইপোদের প্রহারে প্রাণ গেল কাকিমার (AI Generated representative image)
ভাইপোদের প্রহারে প্রাণ গেল কাকিমার (AI Generated representative image)

পূর্ব বর্ধমান: মাত্র চার ছটাক জমি নিয়ে বিবাদ। আর সেই বিবাদের জেরেই প্রাণ গেল এক মহিলার। অভিযোগ, জমি ছেড়ে দেওয়ার জন্য দীর্ঘদিন ধরে চাপ দিচ্ছিলেন দুই ভাইপো। শেষ পর্যন্ত সেই বিবাদ চরম আকার নেয়। শনিবার সকালে কাকিমার বাড়িতে ঢুকে তাঁকে এবং পরিবারের আরও দুই মহিলাকে ইট, বাঁশ ও শাবল দিয়ে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ ওঠে দুই ভাইপোর বিরুদ্ধে। গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে মৃত্যু হয় ওই মহিলার। ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘটনাটি পূর্ব বর্ধমানের শক্তিগড় থানার ঘাটশিলার।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতার নাম নাসেরা বেগম (৪৫)। এই ঘটনায় গুরুতর জখম হয়েছেন তাঁর মেয়ে কিসমাতারা বেগম এবং মা নাজিরা বেগম। দু’জনেই বর্তমানে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।স্থানীয় সূত্রে খবর, নিজের দেওরের কাছ থেকে ৬৫ হাজার টাকার বিনিময়ে চার ছটাক জমি কিনেছিলেন নাসেরা। অভিযোগ, পরবর্তী সময়ে ওই জমিই নাসেরার দুই ভাইপো চাঁদ শেখ ও ডালিম শেখের কাছে ফের বিক্রি করে দেন তাঁর দেওর। এরপর থেকেই জমির দখল ছেড়ে দেওয়ার জন্য নাসেরার উপর চাপ সৃষ্টি করতে শুরু করেন দুই ভাইপো। এই নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই বিবাদ চলছিল। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত বৃহস্পতিবার এই জমি বিবাদ মেটাতে একটি সালিশি সভাও বসেছিল।

অভিযোগ, সালিশি সভার মাত্র দু’দিনের মধ্যেই শনিবার সকালে নাসেরার বাড়িতে ঢুকে হামলা চালান চাঁদ ও ডালিম। সেই সময় বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন নাসেরা, তাঁর মেয়ে ও মা। তিন মহিলাকেই ইট, বাঁশ ও শাবল দিয়ে এলোপাথাড়ি মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। মহিলাদের চিৎকার শুনে ছুটে আসেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁরাই রক্তাক্ত অবস্থায় তিনজনকে উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসা চলাকালীন কিছুক্ষণের মধ্যেই মৃত্যু হয় নাসেরা বেগমের। বাকি দু’জনের চিকিৎসা চলছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *