মেয়েকে নিয়ে তিনি লিখলেন, “ছোটো বেলায় পাউরুটি কে পাউটুনি বলতিস, আরো এরকম অদ্ভুত সব শব্দ বলতিস। কোনো দোকানে যেতে বললে, ভয় পেতিস যে গিয়ে কি বলবি। বাড়িতে, জীবনে, আমার পাশে থেকে তোকেও অনেক লড়াই করতে হয়েছে। St. Xavier’s এ ভর্তি হতে গিয়েছিলিস আমার সাথে। Film Studies নিয়ে পড়বি বলে, 92% থাকা সত্ত্বেও ভর্তি হতে পারিসনি কারনটা না হয় এখানে নাই বললাম, তাতে তো আর তোর আর আমার কোনো হাত ছিলনা, তাও হাল না ছেড়ে ওখানেই ভর্তি হলি Sociology নিয়ে। পড়াশোনার পাশাপাশি নাচটাও একই ভাবে চালিয়ে গেলি। কোনো কিছুতেই আমার বাধা ছিলনা তাও নিজের লক্ষে সর্বদা focused ছিলিস, এখনো আছিস। তারপর নানান ওঠাপড়ার মধ্যে দিয়ে মন দিয়ে পড়াশোনা করে চলে গেলি Germany Bamberg University তে Sociology নিয়ে Masters করতে। সেখান থেকে Netherlands Tilburg University তে double MA করতে। তারপর Groningen University তে Sociology নিয়ে PhD করতে। এই পুরো যাত্রা টা টানা সাত বছরের। এবং একা। 02:11:2026 গতকাল ছিল তোর Dissertation. কতো Jury দের কতো প্রশ্ন তোর লেখা thesis “A FRAGILE ACHIEVEMENT” নিয়ে। যেতে তো পারলামনা ওই মহাশুভ মুহূর্তে তোর পাশে থাকতে কারন Visa পেলামনা। বাড়িতে বসে live streaming দেখতে দেখতে একটু ভয়ও পাচ্ছিলাম এতোজনের এতো প্রশ্ন শুনে, কিন্তু তোর confidence দেখে আমি সাহস পাচ্ছিলাম। তারপর এল সেই মহাক্ষণ যেটার জন্য তোর এতো লড়াই, এতো পড়াশোনা। Defence clear করলি and now you’re Dr. SAYONI SANTARA. বাবা হয়ে তোকে কুর্নিশ জানাই নেহা। #dr.sayonisantara”
