Last Updated:
‘ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী হব!’ ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই মন্তব্য ঘিরে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে জল্পনা। ২০২৬ সালের মার্কিন মিড টার্ম নির্বাচনে রিপাবলিকানদের ধাক্কার আবহে তাঁর বক্তব্যের অর্থ কী? নেতানিয়াহু ও ইজরায়েলের রাজনীতি ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন প্রশ্ন।
ওয়াশিংটন: আমেরিকার মধ্যবর্তী নির্বাচন বা মিড টার্ম ইলেকশনে মুখ থুবড়ে পড়েছে রিপাবলিকানরা। একইসঙ্গে জোর ধাক্কা খেয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গণনা শুরু হতেই দেখা গেল ডেমোক্র্যাটিকরাই এগিয়ে যাচ্ছেন। জর্জিয়া এবং ভার্জিনিয়ায় ইতিমধ্যেই জয়ী হয়েছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা। রিপাবলিকানদের শক্ত ঘাঁটি ভেঙে চুরমার হয়েছে। সেই আবহেই ট্রাম্পের একটি মন্তব্য ঘিরে শোরগোল পড়েছে। ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী হতে চাওয়ায় জল্পনা উসকে দিয়েছেন তিনি স্বয়ং।
মঙ্গলবার, ফক্স নিউজের একটি অনুষ্ঠানে ক্রমশ নিম্নমুখে যাওয়া তাঁর রেটিং, অর্থাৎ মানুষের মধ্যে গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এর মাঝেই রসিকতার ছলে ট্রাম্প বলেন, “আমেরিকার মানুষ আমাকে নিয়ে বিরক্ত হয়ে পড়লে ইজরায়েল চলে যাব আমি। সেখানকার প্রধানমন্ত্রী হব।”
ওই অনুষ্ঠানে তিনি আরও জানান, ইজরায়েলের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বিশেষ চুক্তি রয়েছে তাঁর। চলতি বছরের শেষ থেকে ইজরায়েলকে অর্থসাহায্য প্রদান করবে না আমেরিকা। যে ৪ মিলিয়ন ডলার অর্থসাহায্য দেওয়া হতো, তা বন্ধ হয়ে যাবে। ট্রাম্পের আরও দাবি, ইজরায়েলের আর অর্থসাহায্যের প্রয়োজন নেই।
প্রসঙ্গত, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে আমেরিকায় তীব্র সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে ট্রাম্পকে। ইজ়রায়েলকে টাকা জুগিয়ে যাওয়া নিয়েও বারংবার সমালোচিত হয়েছেন তিনি। সেই আবহেই ইজ়রায়েলের অর্থসাহায্য় বন্ধের কথা জানালেন ট্রাম্প। তাঁর বক্তব্য়, “ইজ়রায়েলকে অর্থসাহায্য় দেওয়ার কথা উঠলে বলব, বিবি নেতানিয়াহু এবং আমার চুক্তি হয়েছিল আমেরিকা ইজ়রায়েলকে বছরে ৪ বিলিয়ন ডলার অর্থসাহায্য় দেবে বলে। কয়েক মাস আগে ঠিক হয়েছে, সেটা বন্ধ হবে। এবছরের শেষেই ইজ়রায়েলকে টাকা দেওয়া বন্ধ হবে। যদি প্রয়োজন পড়ে সাহায্য় করব।”

