কর্মব্যস্ত জীবনের গুরুদায়িত্ব শেষে অনেকেই যখন ক্লান্তির অবসর খোঁজেন, তিনি তখন নতুন করে মেতে ওঠেন অক্ষরের দুনিয়ায়। বয়স বাড়লেও কলমের ধার কমেনি এতটুকু। অবসর জীবন মানে যে শুধু গৃহকোণে দিন গোনা নয়, বরং গবেষণার এক নতুন অধ্যায়— তা প্রতিদিন প্রমাণ করে চলেছেন জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক (মাধ্যমিক) পদ থেকে অবসর নেওয়া মধুপ দে। মেদিনীপুর শহরের এই প্রবীণ বাসিন্দার কাছে লেখালেখি এবং বই প্রকাশই এখন প্রতিদিনের বেঁচে থাকার মূল অক্সিজেন। শুরুটা হয়েছিল বাংলার শিক্ষক হিসেবে। চক-ডাস্টারের সেই পরিচিত আঙিনা ছেড়ে এক সময়ে যোগ দেন শিক্ষা প্রশাসনের দফতরে। দীর্ঘ কর্মজীবনে নিষ্ঠার সঙ্গে সামলেছেন অবর ও সহকারী বিদ্যালয় পরিদর্শকের পদ। শেষ পর্যন্ত পুরুলিয়া জেলার বিদ্যালয় পরিদর্শক (মাধ্যমিক) হিসেবে কর্মজীবন শেষ করেন তিনি। সরকারি রুটিনের ব্যস্ততার মাঝেও পড়ার অভ্যাস কখনও মরতে দেননি। কর্মজীবনে প্রকাশিত হয়েছিল চারটি বই, যার মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষার রূপরেখা ও বিদ্যালয় পরিদর্শনের ইতিহাস শিক্ষা মহলে অত্যন্ত সমাদৃত। তবে অবসর গ্রহণের পর সেই কাজের গতি আরও বেড়েছে। ইতিমধ্যে তাঁর প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৭-তে। জন্মসূত্রে জঙ্গলমহল ঝাড়গ্রামের ভূমিপুত্র মধুপবাবুর লেখায় বারবার ফিরে আসে মাটির গন্ধ।কর্মব্যস্ত জীবনের গুরুদায়িত্ব শেষে অনেকেই যখন ক্লান্তির অবসর খোঁজেন, তিনি তখন নতুন করে মেতে ওঠেন অক্ষরের দুনিয়ায়। বয়স বাড়লেও কলমের ধার কমেনি এতটুকু। অবসর জীবন মানে যে শুধু গৃহকোণে দিন গোনা নয়, বরং গবেষণার এক নতুন অধ্যায়— তা প্রতিদিন প্রমাণ করে চলেছেন জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক (মাধ্যমিক) পদ থেকে অবসর নেওয়া মধুপ দে। মেদিনীপুর শহরের এই প্রবীণ বাসিন্দার কাছে লেখালেখি এবং বই প্রকাশই এখন প্রতিদিনের বেঁচে থাকার মূল অক্সিজেন। শুরুটা হয়েছিল বাংলার শিক্ষক হিসেবে। চক-ডাস্টারের সেই পরিচিত আঙিনা ছেড়ে এক সময়ে যোগ দেন শিক্ষা প্রশাসনের দফতরে। দীর্ঘ কর্মজীবনে নিষ্ঠার সঙ্গে সামলেছেন অবর ও সহকারী বিদ্যালয় পরিদর্শকের পদ। শেষ পর্যন্ত পুরুলিয়া জেলার বিদ্যালয় পরিদর্শক (মাধ্যমিক) হিসেবে কর্মজীবন শেষ করেন তিনি। সরকারি রুটিনের ব্যস্ততার মাঝেও পড়ার অভ্যাস কখনও মরতে দেননি। কর্মজীবনে প্রকাশিত হয়েছিল চারটি বই, যার মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষার রূপরেখা ও বিদ্যালয় পরিদর্শনের ইতিহাস শিক্ষা মহলে অত্যন্ত সমাদৃত। তবে অবসর গ্রহণের পর সেই কাজের গতি আরও বেড়েছে। ইতিমধ্যে তাঁর প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৭-তে। জন্মসূত্রে জঙ্গলমহল ঝাড়গ্রামের ভূমিপুত্র মধুপবাবুর লেখায় বারবার ফিরে আসে মাটির গন্ধ।
