Last Updated:
আলিপুরদুয়ারের কুমারগ্রাম চা বাগান থেকে ভুটানের সাতরঙ্গি পাহাড় ও লামোইজিংকা পর্যন্ত বন্যপ্রাণীবান্ধব এলিভেটেড করিডর তৈরির প্রস্তাব দিলেন বনমন্ত্রী মনোজ কুমার ওরাঁও। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বন্যপ্রাণীদের নিরাপদ যাতায়াতের পাশাপাশি মানুষ ও বন্যপ্রাণীর সংঘাত কমবে বলে আশা বন দফতরের।
আলিপুরদুয়ার: বন্যপ্রাণীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে এবং ভারত-ভুটানের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও উন্নত করতে বড় উদ্যোগের প্রস্তাব দিল রাজ্যের বন দফতর। আলিপুরদুয়ারের কুমারগ্রাম চা বাগান থেকে ভুটানের সাতরঙ্গি পাহাড় ও লামোইজিংকা পর্যন্ত বন্যপ্রাণীবান্ধব এলিভেটেড করিডর তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে বন্যপ্রাণীদের চলাচল আরও নিরাপদ হবে। পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং পর্যটনের প্রসারেও নতুন সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।
এই প্রকল্পের প্রস্তাব বিবেচনার আর্জি জানিয়ে গত ৩ নভেম্বর রাজ্যের পূর্তমন্ত্রী অজয় কুমার পোদ্দারকে চিঠি দিয়েছেন বনমন্ত্রী মনোজ কুমার ওরাঁও। চিঠির সঙ্গে আলিপুরদুয়ারের জেলাশাসকের পাঠানো প্রকল্পের প্রস্তাবও সংযুক্ত করেছেন তিনি। উল্লেখ্য, গত ২৫ সেপ্টেম্বর জেলাশাসকের তরফে রাজ্যের পূর্ত দফতরের সচিবের কাছে এই প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল।
প্রস্তাবিত এলিভেটেড করিডরে বন্যপ্রাণীদের গতিবিধির উপর নজরদারির জন্য বিশেষ ব্যবস্থা রাখার কথা বলা হয়েছে। শুধু করিডরের উপরেই নয়, তার নিচের অংশেও নজরদারির ব্যবস্থা থাকবে। এর ফলে বন্যপ্রাণীদের নিরাপদে যাতায়াত নিশ্চিত করার পাশাপাশি মানুষ ও বন্যপ্রাণীর সংঘাত কমানো সম্ভব হবে বলে মনে করছে বন দফতর।

বনমন্ত্রীর বক্তব্য, এই করিডর তৈরি হলে ভারত ও ভুটানের মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও মসৃণ হবে। দুই দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার এবং পর্যটন শিল্পের উন্নয়নেও প্রকল্পটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে। একই সঙ্গে উপকৃত হতে পারে স্থানীয় অর্থনীতি।
দ্রুত প্রকল্পের প্রস্তাব বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার জন্য পূর্তমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানিয়েছেন বনমন্ত্রী। তবে এখনও পর্যন্ত প্রকল্পের অনুমোদন কিংবা নির্মাণকাজ শুরুর কোনও সময়সীমা ঘোষণা করা হয়নি।

