Headlines

বিহার পুলিশের এনকাউন্টারে মৃত্যু ৩ অভিযুক্তের! টানা গুলির লড়াই ঘিরে চাঞ্চল্য Bihar Police Encounter: 3 Murder Accused Killed After Intense Gunfight | লেটেস্ট দেশের খবর


Last Updated:

বিহারে পুলিশের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে মৃত্যু হল খুনের মামলায় অভিযুক্ত তিন ব্যক্তির। টানা গুলির লড়াইয়ের পর এই এনকাউন্টার ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

এনকাউন্টারে মৃত ৩ অভিযুক্ত
এনকাউন্টারে মৃত ৩ অভিযুক্ত

মানের: বিহারের পটনার মানেরে পুলিশি এনকাউন্টারে তিন অভিযুক্তের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার সকালে এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। হত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত তিনজন জেপি যাদব, বাবলু কুমার এবং রাজেশ শর্মার মৃত্যু হয়েছে। এই তিনজনই প্রাইমারি এগ্রিকালচারাল ক্রেডিট সোসাইটির প্রেসিডেন্ট সাঞ্জিত কুমারকে খুন করার অভিযোগ ওঠে। পুলিশ সূত্রে খবর, পুলিশের সঙ্গে অভিযুক্তের লড়াইয়ে মোট ৪২ রাউন্ড গুলি চালানো হয়েছে। পুলিশ সূত্রে দাবি করা হয়, গুলির লড়াই শেষে তিন অভিযুক্তকে জখম অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে তাঁদেরকে ম্ত বলে ঘোষণা করা হয়।

গুলির লড়াইয়ের ফলে মানের থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশকর্মী রজনীশ কুমারও জখম হন। এই ঘটনায় তাঁর বাঁ হাতে গুলি লাগে।

এই ঘটনা প্রসঙ্গে, পটনার অন্যতম শীর্ষ আধিকারিক কার্তিক কুমার শর্মা জানিয়েছেন, শেরপুরে গণ্ডগোলের পরিকল্পনা ছিল তাঁদের। কয়েকজন সমাজ বিরোধী এই গণ্ডগোল করতে পারে পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স এবং পটনা পুলিশের দল একটি অভিযানে নামে। পুলিশের দল শেরপুর এলাকার নির্দিষ্ট জায়গায় পৌঁছোতেই গুলি চালাতে শুরু করেন অভিযুক্তেরা। আর এই গুলির লড়াইয়ের জেরে আহত হন মানের থানার পুলিশকর্মী। এরপরেই পাল্টা গুলি চালায় পুলিশ। পুলিশ সূত্রে দাবি করা হয়েছে, তিন অভিযুক্ত গুরুতর ভাবে জখম হওয়ার পরেই গুলির লড়াই থেমে যায়। তার পর তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে প্রত্যেককেই চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।

এই প্রসঙ্গে পটনা পুলিশের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, অভিযুক্তদের কাছ থেকে দু’টি পিস্তল, একটি দেশি বন্দুক, বেশ কয়েকটি খালি কার্তুজ উদ্ধার হয়েছে। শুক্রবার ভোরের ঘটনা প্রসঙ্গে পটনা পুলিশের ওই আধিকারিক বলেন, “পুলিশ পাল্টা গুলি চালাতে শুরু করার পরেই কয়েক জন আহত হন। গুলির লড়াই থামার পর পুলিশ সামনে গিয়ে দেখে, তিনজন জখম অবস্থায় পড়ে রয়েছেন। হাসপাতাল তাঁদের মৃত বলে ঘোষণা করে। পরবর্তী পদক্ষেপ করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের ভিডিয়োগ্রাফি করা হবে।”

এই এনকাউন্টার প্রসঙ্গে আরও জানানো হয়েছে যে, গুলির লড়াইয়ের সময় অভিযুক্তেরা ২৪ রাউন্ডেরও বেশি গুলি ছোড়ে। আর পুলিশ ছোড়ে ১৮ রাউন্ড গুলি। পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযুক্ত তিনজন একটি খুনের মামলায় জড়়িত। এই বছর দুর্গাষ্টমীর দিন খুনটি হয়। ওই খুনের মামলার তদন্তে তিনজনকে খুঁজছিল পুলিশ। তা ছাড়াও দানাপুর এবং শাহপুর এলাকায় তিনজনের বিরুদ্ধে একাধিক রয়েছে। শুক্রবার সকালে এই তিনজনের সঙ্গে প্রবল গুলির লড়াইয়ের ফলে এনকাউন্টারে মারা গিয়েছেন ৩ জনই।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *