Last Updated:
Tarapith Mandir News: তারাপীঠে মা তারার দর্শনে যাবেন? হাফপ্যান্ট বা শর্টস পরে গেলে কিন্তু সোজা ফেরত পাঠাবে মন্দির কমিটি!
বীরভূম, সৌভিক রায়: সাধক বামাক্ষ্যাপার সাধনাভূমি তথা বীরভূমের পুণ্যক্ষেত্র তারাপীঠ। আদি দেবী মা তারার কৃপা পেতে এবং মনের বাসনা পূর্ণ করতে প্রতিদিন দেশ-বিদেশ থেকে এখানে হাজির হন অগণিত ভক্ত। মন্দিরের পাশেই বয়ে চলা পবিত্র দ্বারকা নদীতে স্নান সেরে পুজো দেওয়ার দীর্ঘ প্রথা রয়েছে। বিশেষ করে অমাবস্যার তিথিতে এখানে ভক্তদের উপচে পড়া ভিড় দেখা যায়। তবে ভিড় সামলানো ও পবিত্রতা বজায় রাখতে মন্দিরের পোশাকবিধি নিয়ে কড়াকড়ি শুরু হয়েছে। যদিও নিয়মটি একেবারে নতুন নয়, তবে এতদিন কড়াকড়ি না থাকায় অনেকে তা মানতেন না। এবার থেকে মন্দির চত্বরে প্রবেশে কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, মন্দিরে আসা দর্শনার্থীরা স্বল্পবসনে প্রবেশ করতে পারবেন না। একই সঙ্গে গামছা, লুঙ্গি কিংবা বারমুডা পরে মন্দিরের অন্দরে ঢোকার ওপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে মন্দির কমিটি। মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে মন্দির চত্বরের বিভিন্ন জায়গায় সচেতনতামূলক সাইনবোর্ড লাগানোর কাজ শুরু হয়েছে।
দূর-দূরান্ত থেকে আসা ভক্তরা যাতে এই নিয়মের কথা আগে থেকেই জানতে পারেন, তার জন্য প্রচারও চালানো হচ্ছে। মা তারার মন্দিরে আসা ধর্মীয় আরাধনার বিষয়, এখানে দর্শনার্থীদের পোশাকের শালীনতা বজায় রাখা একান্ত কর্তব্য।
প্রশাসনের পক্ষ থেকেও মন্দির কমিটির এই সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহলের আশা, এই নিয়মের ফলে মন্দিরের আধ্যাত্মিক গাম্ভীর্য ও পবিত্রতা সঠিকভাবে বজায় থাকবে। শুধু এখানেই নয় তারাপীঠ মন্দির কমিটির সম্পাদক পুলক চট্টোপাধ্যায় জানান “তারাপীঠ মন্দিরে যে সমস্ত সহযোগী সেবায়েতরা রয়েছেন তাদেরও নির্ধারিত রংয়ের পোশাক তৈরি করার জন্য কাজ চলছে, কালীপুজোর পর থেকেই সেই নিয়ম চালু হবে, মন্দির কমিটির তরফ থেকে নির্ধারিত রঙের পোশাক সহকারী বা সহযোগী সেবায়েতদের দেওয়া হবে। মন্দির কমিটির তরফ থেকে ইতিমধ্যেই সহযোগী সেবায়েতদের আধার কার্ড গ্রহণ প্রক্রিয়া চলছে কালীপুজোর পরেই এই নিয়ম চালু করা হবে।”
তিনি আরও জানান, “মূল যাঁরা পুরোহিত রয়েছেন মন্দিরে তাদের পোশাকের রং থাকবে লাল, এবং যারা সহযোগী সেবায়েত রয়েছেন তাদের নতুন রঙের পোশাক মন্দির কমিটির তরফ থেকে করা হচ্ছে, আর দর্শনার্থী ক্ষেত্রে আগে থেকেই যে নিয়ম ছিল সেই নিয়ম আরও কড়াকড়ি করা হচ্ছে, মূলত মন্দিরের ভাবমূর্তি বজায় রাখতে এই সিদ্ধান্ত আমাদের।”
