Headlines

Crime: প্রথমে স্ত্রী, তারপর একে একে ছ’ জনকে খুন! শ্বশুরবাড়ির সাত সদস্যকে শেষ করে দিলেন ক্যাবচালক, শিউরে উঠল গোটা দেশ | লেটেস্ট দেশের খবর


Last Updated:

নন্দী হিলস থেকে সাত বছরের পুনীতের দেহ উদ্ধার হয়েছে। বাকি দেহগুলির সন্ধানে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। এই ঘটনায় আর কেউ জড়িত ছিল কি না, এমনকী অভিযুক্তের মেয়ের কোনও ভূমিকা ছিল কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

News18
News18

বেঙ্গালুরু: স্ত্রী ও শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের খুনের অভিযোগ উঠল এক ক্যাবচালকের বিরুদ্ধে। পুলিশের দাবি, পারিবারিক অশান্তি এবং স্ত্রীর পরিবারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক নিয়ে দীর্ঘদিনের ক্ষোভ থেকেই এই হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করেন অভিযুক্ত ইন্দুশেখর। অভিযোগ, স্ত্রী সুনীতাকে খুনের পর একে একে তাঁর পরিবারের আরও ছ’জন সদস্যকে হত্যা করেন তিনি। সব মিলিয়ে মৃতের সংখ্যা সাত।

প্রায় ২০ বছর আগে সুনীতার সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল ইন্দুশেখরের। বেঙ্গালুরুর রাজাজিনগরে তাঁরা একসঙ্গে থাকতেন। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, দীর্ঘদিন ধরেই তাঁদের দাম্পত্য সম্পর্কে টানাপড়েন চলছিল। স্ত্রীর পরিবারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা এবং তাঁদের পারিবারিক বিষয়ে হস্তক্ষেপ নিয়ে আপত্তি ছিল ইন্দুশেখরের। পুলিশের অভিযোগ, প্রথমে শিলনোড়ার পাথর দিয়ে মাথায় আঘাত করে সুনীতাকে খুন করেন ইন্দুশেখর। এরপর গাড়িতে করে তাঁর দেহ নন্দী হিলসে নিয়ে গিয়ে ফেলে দেন। প্রতিবেশীদের কাছে স্ত্রী বন্ধুদের সঙ্গে বেড়াতে গিয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি। এমনকী, সুনীতার ফোন বন্ধ থাকাকেও সেই ব্যাখ্যার সঙ্গে জুড়ে দেন। এর পরের দিন শ্যালক শিবকুমার ও শঙ্করকে মদ্যপানের আসরে আমন্ত্রণ জানান অভিযুক্ত। অভিযোগ, সেখানেই তাঁদের খুন করা হয়। পরে শঙ্করের স্ত্রী নলিনী ও দিব্যা, শাশুড়ি রূপাবতী এবং শঙ্করের সাত বছরের ছেলে পুনীতকেও হত্যা করেন তিনি। পুলিশের দাবি, একে একে পরিবারের সদস্যদের ডেকে এনে খুনের পর তাঁদের দেহ বিভিন্ন জায়গায় ফেলে দেওয়া হয়।

তদন্তকারীদের অনুমান, হত্যাকাণ্ডের পর বাড়ি পরিষ্কার করেন অভিযুক্ত। শিলনোড়ার পাথর থেকে প্রমাণ মুছে ফেলতে রাসায়নিকও ব্যবহার করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। পুলিশ বাড়ি থেকে ওই পাথর এবং দেহ সরানোর কাজে ব্যবহৃত হয়েছে বলে সন্দেহ করা একটি গাড়ি বাজেয়াপ্ত করেছে।

এদিকে, নিখোঁজ সংক্রান্ত অভিযোগ দায়ের হওয়ার পরই ঘটনার সূত্রপাত। নলিনীর মা থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন। তদন্তে নেমে পরিবারের সদস্যদের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা এবং অভিযুক্তের বয়ানে একাধিক অসঙ্গতি খুঁজে পান পুলিশকর্মীরা। বাড়িতে পাওয়া কিছু সূত্রও সন্দেহ বাড়ায়। জেরার মুখে ইন্দুশেখর অপরাধের কথা স্বীকার করেছেন বলে পুলিশের দাবি। কর্ণাটকের মন্ত্রী প্রিয়াঙ্ক খাড়গে ঘটনাটিকে অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক বলে মন্তব্য করেছেন। তাঁর বক্তব্য, প্রাথমিকভাবে এটি পরিবারের অভ্যন্তরে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলেই মনে হচ্ছে। অভিযুক্তের দাবি, স্ত্রীর পরিবারের সদস্যরা তাঁকে অপমান করতেন। পুলিশের কাছে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় দেহ ফেলে দেওয়ার স্থান সম্পর্কেও তথ্য দিয়েছেন তিনি বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *