Headlines

সরকারি প্রকল্পের বোর্ডে বাংলা বাধ্যতামূলক, পাহাড়ে নেপালি! ৩০ নভেম্বরের মধ্যে কার্যকরের নির্দেশ নবান্নের | লেটেস্ট কলকাতার খবর


নবান্নের পর্যবেক্ষণ, রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় সরকারি প্রকল্পের কাজের জায়গায় অনেক ক্ষেত্রেই শুধুমাত্র ইংরেজিতে তথ্যের বোর্ড লাগানো হচ্ছে। এমনকী কেন্দ্রীয় প্রকল্প এবং অর্থ কমিশনের অনুদানে হওয়া কাজের ক্ষেত্রেও একই ছবি দেখা যাচ্ছে। এর ফলে সাধারণ মানুষ অনেক সময় বুঝতে পারছেন না, তাঁদের এলাকায় কী কাজ হচ্ছে, কোন প্রকল্পে কত টাকা খরচ হচ্ছে কিংবা কোন সংস্থা সেই কাজের দায়িত্বে রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের কাছে সরকারি প্রকল্পের তথ্য আরও সহজভাবে পৌঁছে দিতেই এই সিদ্ধান্ত নবান্নের।

নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, সরকারি প্রকল্পের প্রতিটি বোর্ডে কাজের বিবরণ, প্রকল্পের নাম, আনুমানিক খরচ, অর্থের উৎস, কাজ শুরু ও শেষের তারিখ এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থার নাম ও যোগাযোগের তথ্য উল্লেখ করতে হবে। রাজ্যের সমস্ত সরকারি দফতর, পঞ্চায়েত, পুরসভা, উন্নয়ন পর্ষদ এবং জেলা প্রশাসনকে এই নির্দেশ মেনে চলতে বলা হয়েছে।

নবান্নের নির্দেশ অনুযায়ী, বর্তমানে যে সমস্ত সরকারি প্রকল্পের কাজ চলছে অথচ কোনও তথ্যের বোর্ড লাগানো হয়নি, সেখানে আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে বোর্ড লাগাতে হবে। পাশাপাশি আগে থেকে লাগানো বোর্ড নতুন নিয়ম অনুযায়ী সংশোধন করতে হবে।

শুধু ভাষার পরিবর্তন নয়, সরকারি প্রকল্পের কাজে স্বচ্ছতা আনতে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার। আগামী দিনে প্রতিটি তথ্যের বোর্ডে কিউআর কোড যুক্ত করার ব্যবস্থা করা হবে। এই ব্যবস্থা চালু হলে সাধারণ মানুষ মোবাইল দিয়ে কিউআর কোড স্ক্যান করেই প্রকল্পের বরাদ্দ, অর্থের উৎস, দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা, কাজের সময়সীমা এবং কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতে পারবেন। এর জন্য রাজ্যজুড়ে সরকারি প্রকল্পের একটি কেন্দ্রীয় ডিজিটাল তথ্যভান্ডার তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

গোটা নির্দেশ কার্যকর করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট জেলার জেলাশাসকদের। বিডিও, মহকুমাশাসক এবং বিভিন্ন দপ্তরের আধিকারিকদের মাধ্যমে নিয়ম মানা হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে হবে। নির্দেশ অমান্য করার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে বলেও জানিয়েছে নবান্ন।

মূলত সরকারি প্রকল্পের কাজের বিস্তারিত তথ্য সাধারণ মানুষের কাছে সহজ ভাষায় পৌঁছে দেওয়া এবং সরকারি অর্থে হওয়া উন্নয়নমূলক কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বাড়াতেই এই পদক্ষেপ রাজ্য সরকারের।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *