গুরুদেব রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই মেলায় বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছিলেন। তিনি চেয়েছিলেন শান্তিনিকেতনের শিক্ষা ও সংস্কৃতির সঙ্গে যেন সাধারণ গ্রামীণ মানুষের মেলবন্ধন ঘটে। বাউল গান, কীর্তন, ছৌ নাচ, এবং আদিবাসী সাঁওতালি নৃত্য এই মেলার প্রধান আকর্ষণ হয়ে ওঠে। কুটির শিল্প, পোড়ামাটির জিনিস, কাঁথাস্টিচ এবং বাংলার ঐতিহ্যবাহী হস্তশিল্পের পসরা সাজিয়ে বসেন দূরদূরান্তের কারিগর। আজ পৌষ মেলা কেবল একটি স্থানীয় মেলা নয়, এটি শান্তিনিকেতনের প্রাণস্পন্দন। ছবি ও তথ্য: সৌভিক রায়
