Headlines

Mousumi Kayal: ‘ধর্ষকদের এরকম শাস্তিই হওয়া উচিত’, গাইঘাটা-কাণ্ডে এনকাউন্টারের পক্ষে কামদুনির মৌসুমী | পূর্ব বর্ধমান


Last Updated:

Mousumi Kayal: তাঁর অভিযোগ, দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও কামদুনির নির্যাতিতার পরিবার এখনও ন্যায়বিচারের অপেক্ষায়। মৌসুমীর দাবি, ধর্ষণ ও খুনের মতো অপরাধে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

গাইঘাটা-কাণ্ডে এনকাউন্টারের পক্ষে কামদুনির মৌসুমী
গাইঘাটা-কাণ্ডে এনকাউন্টারের পক্ষে কামদুনির মৌসুমী

কামদুনি, জিয়াউল আলম: বারুইপুরের পর গাইঘাটা—ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় অভিযুক্তদের এনকাউন্টার নিয়ে বিতর্কের আবহে কঠোর শাস্তির দাবি জানালেন কামদুনি আন্দোলনের প্রতিবাদী মুখ মৌসুমী কয়াল। তাঁর বক্তব্য, ধর্ষণ করে খুনের মতো নৃশংস অপরাধে অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত৷ কামদুনি কাণ্ডের বিচার নিয়ে ফের প্রশ্ন তুলেছেন মৌসুমী। তাঁর অভিযোগ, দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও কামদুনির নির্যাতিতার পরিবার এখনও ন্যায়বিচারের অপেক্ষায়। মৌসুমীর দাবি, ধর্ষণ ও খুনের মতো অপরাধে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

গাইঘাটা নাবালিকা ধর্ষণ ও খুন কাণ্ডে পুলিশের এনকাউন্টারে ‘খতম’ হয়েছেন অভিযুক্ত প্রহ্লাদ দাস। সূত্রের খবর, মঙ্গলবার গভীর রাতে অভিযুক্তকে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করতে ঘটনাস্থলে নিয়ে যায় পুলিশ। সেখান থেকে ফেরার পথেই আচমকা পুলিশের বন্দুক ছিনিয়ে নিয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় অভিযুক্ত। আত্মরক্ষার্থে পাল্টা গুলি চালায় পুলিশও। পুলিশের এনকাউন্টারে মৃত্যু হয় প্রহ্লাদ দাসের। গুলির লড়াইয়ে আহত হন তদন্তকারী অফিসারও। সূত্রের খবর, অভিযুক্ত পরপর কয়েক রাউন্ড গুলি চালায়। এতে পুলিশের একটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালাতে বাধ্য হয়। ঘটনার পুনর্নির্মাণ এবং পোশাক বাজেয়াপ্তের প্রক্রিয়া শেষ করে ফেরার পথে এইগুলি চালনার ঘটনা ঘটে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত বাথরুম যেতে চাইলে গাড়ি থামায় পুলিশ। তাকে গাড়ি থেকে নামানোর পর কর্তব্যরত এক সাব-ইনস্পেক্টরের সার্ভিস রিভলবার ছিনিয়ে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে অভিযুক্ত। পুলিশকর্মীদের লক্ষ্য করে তিন রাউন্ড গুলিও চালায়। বাধ্য হয়ে পাল্টা চার রাউন্ড গুলি চালায় পুলিশ। গুলিতে জখম হয় প্রহ্লাদ দাস। নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন৷

২০১৩ সালে কামদুনির ভয়াবহ ঘটনার পর দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবিতে কামদুনির অন্য এক প্রতিবাদী টুম্পা কয়াল ও অন্য স্থানীয় বাসিন্দাদের নিয়ে লম্বা আইনি ও সামাজিক লড়াইয়ের নেতৃত্ব দেন মৌসুমী কয়াল। এর আগে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের মামলায় মূল অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের এনকাউন্টারেরও জোরালো সমর্থন জানিয়েছিলেন টুম্পা কয়াল ও মৌসুমি কয়াল৷ জানিয়েছিলেন, “আমরা বিচার পাইনি। বাংলার সব ধর্ষকদের এভাবেই এনকাউন্টার (Baruipur Encounter) করা উচিত।”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *