Headlines

Knowledge Story: সুরের জাদুকর শচীন দেব বর্মনের সঙ্গে দাঁতনের নাড়ির টান! জানুন বর্মন পরিবারের অজানা আত্মীয়তার ইতিহাস | Uncover historic connection between iconic music composer SD Burman’s royal family and Datan | লেটেস্ট পাঁচমিশালি খবর


Last Updated:

Knowledge Story: এস ডি বর্মনের বোনের শ্বশুরবাড়ি অবিভক্ত মেদিনীপুরের দাঁতনে! ত্রিপুরার রাজপরিবারের সঙ্গে দাঁতনের জমিদারবাড়ির বৈবাহিক সূত্রে তৈরি হয় এই আত্মীয়তার বন্ধন। এই সম্পর্কের ইতিহাস আজও দাঁতনবাসীর হৃদয়ে আবেগের স্থান দখল করে রয়েছে।

+

শচীন

শচীন দেব বর্মনের সঙ্গে আত্মীয়তার সূত্রে বাঁধা দাঁতন

দাঁতন, পশ্চিম মেদিনীপুর, রঞ্জন চন্দ: সুরের জাদুতে তিনি গোটা বিশ্বকে সম্মোহিত করেছিলেন কয়েক দশক ধরে। বিংশ শতকের সেই অবিসংবাদিত সংগীতস্রষ্টা শচীন দেব বর্মনের সুরের ব্যাপ্তি যতখানি চেনা, ততটাই অচেনা মেদিনীপুরের সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত সম্পর্কের ইতিহাস। শুধু সংগীত নয়, রক্তের বাঁধনেই একসময় অবিভক্ত মেদিনীপুরের দাঁতনের সঙ্গে জুড়ে গিয়েছিল ত্রিপুরার রাজপরিবার। খোদ এস ডি বর্মনের খুড়তুতো বোনের বৈবাহিক সূত্রে তৈরি হয়েছিল এই আত্মীয়তা, যা আজও দাঁতনবাসীর কাছে এক অমূল্য গৌরব।

ইতিহাসের পাতা ওল্টালে জানা যায়, বাংলা-ওড়িশা সীমান্তবর্তী দাঁতনের মনোহরপুরের বর্ধিষ্ণু রায় বীরবর জমিদার পরিবারের সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে ত্রিপুরার রাজবংশের। রাজা কৃষ্ণকিশোর মাণিক্য দেব বর্মনের উত্তরসূরী লতিকা দেবীর সঙ্গে শুভ পরিণয় সম্পন্ন হয় জমিদারপুত্র ক্ষিতীশচন্দ্র রায় বীরবরের। সেই সূত্রে লতিকা দেবী ছিলেন শচীন দেব বর্মনের অত্যন্ত স্নেহের খুড়তুতো বোন। রাজপরিবারের এই বৈবাহিক মেলবন্ধন তৎকালীন ত্রিপুরার সঙ্গে মেদিনীপুরের প্রত্যন্ত জনপদকে এক সুতোয় বেঁধে দিয়েছিল।

আরও পড়ুন: মায়ের দেওয়া কিডনিতে পেয়েছিলেন নতুন জীবন, আচমকা হার্টফেল! সরকারি হাসপাতালে হল ‘ম্যাজিক’

বর্মন পরিবারের পরবর্তী প্রজন্মের সূত্রে এই সম্পর্কের পরিধি আরও বিস্তৃত হয়। শচীন-পুত্র রাহুল দেব বর্মনের হাত ধরে সুরের যে ধারা বয়ে চলেছিল, তার অন্যতম কাণ্ডারী আশা ভোঁসলে। সম্পর্কের সমীকরণে লতিকা দেবী ছিলেন আর ডি বর্মনের পিসি এবং আশা ভোঁসলের পিসতুতো শাশুড়ি। ফলে ভারতীয় সংগীত জগতের দিকপাল এই শিল্পী পরিবারের একটি পারিবারিক সুতো সরাসরি এসে মিলেছিল দাঁতনের মনোহরপুরের রায়বাড়ির আঙিনায়।

আরও পড়ুন: অমাবস্যার রাতে হবে মহাশক্তির আরাধনা, ত্রিনয়নী দেবী সাজবেন সোনায়! প্রস্তুত সাঁইথিয়া

স্থানীয় ইতিহাস গবেষকদের একাংশের মতে, উনিশ শতকের শেষভাগে দাঁতনে রেলপথ চালু হওয়ার পর আত্মীয়তার টানে এস ডি বর্মন একাধিকবার এখানে এসেছিলেন। যদিও তার লিখিত অকাট্য প্রমাণ আজ আর পাওয়া যায় না, তবুও প্রিয় বোনের শ্বশুরবাড়ির সূত্রে দাঁতনের সঙ্গে সুরকারের ঘনিষ্ঠ টান অস্বীকার করার উপায় নেই। সংগীত ইতিহাসের এই অনন্য সংযোগ আজও দাঁতনের প্রবীণ-নবীন প্রতিটি মানুষকে সমানভাবে গর্বিত ও আবেগাপ্লুত করে তোলে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *