Last Updated:
Bangla News: চোরবাগান কাণ্ডের শিক্ষা নিয়ে কালীপুজো ও ছটপুজোয় জলপাইগুড়িতে কড়া পদক্ষেপ! ড্রোন নজরদারি, পর্যাপ্ত এক্সিট গেট ও নদীঘাটের কড়া নির্দেশাবলী জানুন।
জলপাইগুড়ি, সুরজিৎ দে: উৎসবে অপ্রীতিকর ঘটনা রুখতে এবার আরও কড়া প্রসাশন! সামনেই কালীপুজো ও ছটপুজোয়। তাতে থাকবে প্রশাসনের কড়া নজরদারি। জলপাইগুড়িতে সুরক্ষায় একগুচ্ছ নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর! আসন্ন কালীপুজো, দীপাবলি এবং ছটপুজো শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও ফাঁক রাখতে নারাজ প্রশাসন। কলকাতার চোরবাগান কাণ্ডের পুনরাবৃত্তি রুখতে এবং উৎসবের দিনগুলিতে সাধারণ মানুষের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সোমবার জলপাইগুড়ি জেলাশাসকের দফতরে আয়োজিত হয় এক জরুরি প্রশাসনিক বৈঠক।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশে আয়োজিত এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী তথা জলপাইগুড়ি জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী দীপক বর্মন। বৈঠকে কালীপুজোর মণ্ডপ ও ছটপুজোর নদীঘাটগুলির নজরদারি নিয়ে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দেন মন্ত্রী। তিনি জানান, যেসব বড় মণ্ডপে দর্শনার্থীদের ভিড় বেশি হয়, সেখানে পদপিষ্ট বা বিশৃঙ্খলা এড়াতে পর্যাপ্ত ‘এক্সিট গেট’ বা জরুরি প্রস্থান পথের ব্যবস্থা রাখতে হবে। প্রবেশ ও বেরোনোর পথ যেন কোনওভাবেই অবরুদ্ধ না হয়, সেদিকে আয়োজকদের সতর্ক থাকতে হবে। ভিড়ের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণে বড় মণ্ডপ চত্বরে ড্রোন ক্যামেরার সাহায্যে আকাশপথে নজরদারি চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া, গুজব ছড়ানো রুখতে ও সঠিক তথ্য প্রচারের স্বার্থে মাইকিংয়ের দায়িত্ব কেবল দায়িত্ববান ও সচেতন ব্যক্তিদের হাতে তুলে দেওয়ার বার্তা দেন তিনি। অন্যদিকে, ছটপুজোর নদীঘাটগুলির দুর্ঘটনা এড়াতে আগাম সতর্কতামূলক পদক্ষেপের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। ঘাটগুলিতে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা এবং ড্রোনের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি থাকবে। যেসব ঘাটে জলের স্তর কম, সেখানে সতর্কতার সঙ্গে খনন করে পুণ্যার্থীদের নামার উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি এবং নদীর পাড় মজবুত করে বাঁধানোর পরই পুজো পরিচালনার ছাড়পত্র দেওয়া হবে।

