Headlines

Kidney Treatment: মায়ের দেওয়া কিডনিতে পেয়েছিলেন নতুন জীবন, আচমকা হার্টফেল! তারপর সরকারি হাসপাতালে হল ‘ম্যাজিক’ | Kandi Sub Divisional Hospital successfully treats a kidney patient suffering from heart failure and critical low oxygen levels | মুর্শিদাবাদ


Last Updated:

Kidney Treatment: মৃত্যুর মুখ থেকে অলৌকিক প্রত্যাবর্তন! মায়ের দেওয়া কিডনি প্রতিস্থাপন। তারপর আচমকা হার্ট ফেল, ভয়ানক শ্বাসকষ্ট। অঙ্কিতা দাসকে সেই জায়গা থেকে সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে আনলেন কান্দি মহকুমা হাসপাতালের চিকিৎসকরা। অদম্য লড়াইয়ে পেলেন নবজীবন

+

জটিল

জটিল সমস্যা নিয়ে ভর্তি হওয়ার রোগী সরকারি হাসপাতালে পেলেন নবজীবন

মুর্শিদাবাদ, কৌশিক অধিকারী: কিডনির বিরল রোগে আক্রান্ত, তার সঙ্গে শুরু হয়েছিল শ্বাসকষ্ট। অবশেষে কান্দি মহকুমা হাসপাতালের CCU HDU বিভাগে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকেরা প্রথমে জবাব দিয়ে দেন। আর তারপরেই শুরু হয় চিকিৎসা। মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এলেন কান্দি শহর নিবাসী অঙ্কিতা দাস। রাজ্যে সরকার পালা বদলের পড়েই সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসা ব্যবস্থার ওপর জোর দিয়েছিলেন রাজ্যের স্বাস্থ্য মন্ত্রী ডঃ শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। সরকারি হাসপাতালে রেফার আগেই বন্ধ আগেই করা হয়। এবার মহকুমা হাসপাতালে বিরল রোগে আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসা সুস্থ হয়ে মৃত্যুর মুখ থেকে বাড়ি ফিরলেন অঙ্কিতা দাস।

অঙ্কিতার পরিবার সুত্রে জানা গিয়েছে, ২০১২ সাল থেকে হঠাৎই কিডনির রোগে আক্রান্ত হন। ২০১৪ সালে আইনি জটিলতা কাটিয়ে কিডনি প্রতিস্থাপন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে অঙ্কিতার মা স্নিগ্ধা দাস ঘোষ তিনি একটি কিডনি দিয়েছিলেন, তারপরেই একটি কিডনি প্রতিস্থাপন করা হয়। কিন্তু হঠাৎই গত কয়েকদিন আগে যখন সকলেই উৎসবে মেতে উঠেছিলেন তখন শ্বাসকষ্ট শুরু হয় অঙ্কিতার। হঠাৎই নেমে যায় অক্সিজেন স্যাচুয়েশন লেভেল। চিকিৎসকরা প্রথমে জানান, হার্টফেল হয়ে যায়, অক্সিজেন স্যাচুয়েশন কমে যায় ১০-১২।

আরও পড়ুন: ৫১ সতীপীঠের অন্যতম কিরীটেশ্বরী, দেবী পুজিতা হন মা দক্ষিণাকালী রূপে! কালীপুজোয় কেন যাবেন এই জাগ্রত ধামে?

যা থাকার কথা ৯৫ ওপরে। এছাড়াও ক্রিয়েটিন পৌঁছে গিয়েছিল 7.0 উপরে। তখনই ভর্তি করা হয় কান্দি মহকুমা হাসপাতালের CCU HDU বিভাগ। কর্তব্যরত কয়েকজন চিকিৎসক ও নার্স দিন রাত এক করে যুদ্ধ শুরু হয়। অক্সিজেন স্যাচুয়েশন লেভেল স্বাভাবিক হলে ভেন্টিলেশন সার্পোটে শুরু হয় ডায়লাসিস, যা মহকুমা হাসপাতালে পরিষেবা মেলে না এমনকী অনেক নামি বেসরকারি হাসপাতালে দেওয়া হয় না এই পরিষেবা। অবশেষে টানা দশ দিন ধরে চিকিৎসা চলার পর সোমবার দুপুরে হাঁসিমুখে বাড়ি ফিরলেন অঙ্কিতা দাস।

আরও পড়ুন: চাহিদা দেদার, তবুও কেন ঘুম উড়েছে কুমোরদের? দীপাবলিতে মিলবে তো মাটির প্রদীপ, নাকি ফাঁকা থাকবে বাজার?

কান্দি মহকুমা হাসপাতালের সুপার ডাঃ বিনয় রায় জানিয়েছেন, আমরা আজকে মৃত্যুর মুখ থেকে রোগীকে বাড়ি ফেরাতে পেরে খুশি। সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা ভাল ব্যবস্থা আছে। অঙ্কিতা দাস কিডনি রোগে আক্রান্ত হন। পরিবারে মা ও কন্যা দু’জনেই আছেন। চিকিৎসকেরা থেকে নার্স, টেকনিসিয়ান সকলেই ঝাঁপিয়ে পড়ে আজকে মৃত্যুর মুখ থেকে বাড়ি ফেরানো হল রোগীকে। আগামী দিনে তার ধীরে ধীরে চিকিৎসা চলবে। অঙ্কিতা দাস নিজেও জানিয়েছেন, আমি খুব খুশি ।আমি আশাকরি নি এই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরব। চিকিৎসকদের ধন্যবাদ নতুন জীবন দেওয়ার জন্য।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *