Headlines

Satipeeth Kiriteswari Temple: ৫১ সতীপীঠের অন্যতম কিরীটেশ্বরী, দেবী পুজিতা হন মা দক্ষিণাকালী রূপে! কালীপুজোয় কেন যাবেন এই জাগ্রত ধামে? | Satipeeth Kiriteswari Temple Worshipped As Dakshina Kali On Kali Puja Visit Murshidabad Ancient Sati Peeth Kiriteswari | মুর্শিদাবাদ


Last Updated:

Satipeeth Kiriteswari Temple: নবাবের জেলা মুর্শিদাবাদের ভাগীরথী পারের ঐতিহ্যবাহী কিরীটেশ্বরী মন্দির ৫১ সতীপীঠের অন্যতম প্রাচীন শাক্তপীঠ। লোকবিশ্বাস অনুযায়ী, দক্ষযজ্ঞের পর এখানে দেবী সতীর করোটি বা মুকুটের অংশ পড়েছিল। দীপান্বিতা অমাবস্যার বিশেষ তিথিতে মা কিরীটেশ্বরী পূজিতা হন ‘মা দক্ষিণাকালী’ ধ্যানে।

+

কিরীটেশ্বরী

কিরীটেশ্বরী মন্দির

কৌশিক অধিকার, মুর্শিদাবাদ: মুর্শিদাবাদ জেলা নবাবের জেলা হলেও জেলাতেই রয়েছে ৫১ সতীপীঠের অন্যতম কিরীটেশ্বরী মন্দির। মুর্শিদাবাদ জেলাতে অবস্থিত প্রাচীন মন্দির কিরীটেশ্বরী। কালীপুজোর রাতে মা কিরীটেশ্বরী এখানে দক্ষিণাকালী ধ্যানে পুজিতা হন। কালীপুজো দিন রবিবার ঘুরে আসুন এই মন্দিরে।

ভাগীরথীর পশ্চিম পারে মন্দির অধ্যুষিত গ্রাম কিরীটেশ্ব‌রী। যদিও গ্রামের নাম কিরীটকণা। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুসারে, দক্ষযজ্ঞে সতীর মুকুট এই গ্রামে পতিত হয়েছে। তাই অনেকের কাছে ‘মুকুটেশ্বরী’ গ্রাম নামেও পরিচিত। যদিও এই স্থান শাক্ত সাধনার জায়গা। প্রাচীন মহাপীঠ নামে বেশ জাগ্রত। কিরীটেশ্ব‌রী মন্দিরের ইতিহাস নিয়ে নানা মতো প্রচলিত রয়েছে। শোনা যায়, ১১০৪ বঙ্গাব্দে নাটোরের রানি ভবানী এই মন্দির প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। ১৩৩৭ বঙ্গাব্দে মহারাজা যোগেন্দ্রনারায়ণ রাই এই মন্দিরের সংস্কার করেন।

আরও পড়ুন: পুজো দিতেন ডাকাত ভবানী পাঠক! মালদার এই ৪০০ বছরের কালীপুজোয় কেন নেপাল থেকেও নামে ভক্তদের ঢল? জানুন

কিরীটেশ্বরী মন্দিরের ইতিহাস নিয়ে অবশ্য বহু মত প্রচলিত আছে। প্রাচীন ইতিহাস অনুসারে এর নাম ছিল কিরীটকণা। তাই কেউ বলেন এখনে সতীর মুকুটের কণা পড়েছিল, আবার কেউ বলেন ললাট বা কপাল। কিন্তু মন্দিরের সেবাইতরা জানাচ্ছেন, কিরীট কথাটি এসেছে করোটি বা মাথার খুলি থেকে। আর সেই করোটির টুকরো আছে বলেই নাম হয়েছে কিরীটী। সেখান থেকে নামকরণ কিরীটেশ্বরী। ১১০৪ বঙ্গাব্দে মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন নাটোরের রানি ভবানী। পরবর্তী সময়ে মহারাজা রাও যোগেন্দ্রনারায়ণ রায় ১৩৩৭ বঙ্গাব্দে এই মন্দিরের সংস্কার করেন। তবে যোগেন্দ্রনারায়ণ রায়ের সময়ের যে তথ্য পাওয়া গেছে তাতে পুনঃ সংস্কারের কথা উল্লেখ রয়েছে। সেক্ষেত্রে তার আগে আরও কেউ এই মন্দিরের সংস্কার করেছেন বলেই মনে করা হয়।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *