সিনিয়র উইমেন্স টি-টোয়েন্টি ট্রফিতে উত্তরাখণ্ডের হয়ে হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে খেলতে নেমে এই কৃতিত্ব অর্জন করেন প্রেমা। ম্যাচের প্রথম ইনিংসে চার নম্বরে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ১৪ বলে অপরাজিত ৫০ রান করেন তিনি। তাঁর ইনিংসে ছিল ৬টি চার ও ৪টি ছক্কা। প্রেমার এই বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছে বিসিসিআই।
এর আগে মহিলাদের টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে দ্রুততম অর্ধশতরানের রেকর্ড ছিল ১৫ বলে। এই নজির গড়েছিলেন মেরি কেলি, ফাতিমা সানা এবং লরা হ্যারিস।
২০২২ সালে ওয়ারউইকশায়ারের হয়ে ১৫ বলে অর্ধশতরান করেছিলেন মেরি কেলি। ২০২৬ সালে পাকিস্তানের হয়ে একই নজির গড়েন ফাতিমা সানা। অন্যদিকে, লরা হ্যারিস ২০২৫ সালে ওটাগো এবং ২০২৬ সালে সারের হয়ে ১৫ বলে অর্ধশতরান করেছিলেন। এবার ১৪ বলে পঞ্চাশ করে তাঁদের সবাইকে পিছনে ফেলে দিলেন প্রেমা।
১৪ বলে: প্রেমা রাওয়াত — ২০২৬ সালে উত্তরাখণ্ডের হয়ে
১৫ বলে: মেরি কেলি — ২০২২ সালে ওয়ারউইকশায়ারের হয়ে
১৫ বলে: ফাতিমা সানা — ২০২৬ সালে পাকিস্তানের হয়ে
১৫ বলে: লরা হ্যারিস — ২০২৫ সালে ওটাগো এবং ২০২৬ সালে সারের হয়ে
৮৯ রানে ম্যাচ জিতল উত্তরাখণ্ড
এই ম্যাচে হায়দরাবাদকে ৮৯ রানে হারিয়ে দেয় উত্তরাখণ্ড। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ১৮৭ রান তোলে উত্তরাখণ্ড।
দলের অধিনায়ক রাঘবী বিষ্ট ৫০ বলে ৫টি চার ও ৪টি ছক্কার সাহায্যে অপরাজিত ৭২ রান করেন। অন্যদিকে, প্রেমা রাওয়াতের ঝোড়ো অর্ধশতরান দলকে বড় স্কোরে পৌঁছে দেয়। হায়দরাবাদের হয়ে নল্লা ক্রান্তি রেড্ডি এবং সাক্ষী রাও একটি করে উইকেট নেন।
১৮৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে হায়দরাবাদ। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে মাত্র ৯৮ রান করতে পারে তারা। দলের হয়ে গুগুলথু কাব্যশ্রী ২৭ বলে ৫টি চারের সাহায্যে সর্বোচ্চ ২৬ রান করেন। ব্যাট করতে নামা ১০ জনের মধ্যে সাতজনই দুই অঙ্কের রান করতে পারেননি।
উত্তরাখণ্ডের হয়ে নিশা মিশ্র, সফিনা আজিজ এবং প্রেমা রাওয়াত প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নেন। পুজা রাজ এবং করিনা একটি করে উইকেট পান।
