Last Updated:
Diwali Bumper Offer: মালদার দুশো বছরের বেশি প্রাচীন চারু শেঠের মেলায় অর্ধেক দামে মিলছে নামিদামি কাঠের আসবাব। কালীপুজোর আগের দিন পর্যন্ত চলবে মেলা। আকাশমণি, কাঁঠাল, শিশু-সহ বিভিন্ন প্রজাতির কাঠের তৈরি আসবাবপত্র পাওয়া যাচ্ছে এখানে। ৭ হাজার থেকে শুরু করে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত বিভিন্ন দামের খাট রয়েছে। পাশাপাশি মিলছে আলমারি, চৌকি, টেবিল ও চেয়ার।
মালদা, জিএম মোমিন: পুজোর উপলক্ষ্যে বসলেও এখানে পুজো হয় না! দুর্গাপুজোর ঠিক ১৪ দিন পর বসে এই মেলা। আবার কালীপুজোর আগের দিনই শেষ হয় মেলার আসর। প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী এই মেলাকে ঘিরে প্রতিবছর ব্যাপক উৎসাহ দেখা যায় মালদাবাসীর মধ্যে। দু’শো বছরেরও বেশি প্রাচীন চারু শেঠের মেলা শুরু হতেই জমে উঠেছে কেনাকাটার বাজার। কাঠের আসবাবপত্রের জন্য বিখ্যাত এই মেলায় এবারও ক্রেতাদের বিশেষ আকর্ষণ নানা ধরনের খাট, আলমারি, টেবিল ও চেয়ার। জনশ্রুতি অনুযায়ী, পুরাতন মালদার জমিদার চারু শেঠ এই মেলার সূচনা করেছিলেন।
কথিত আছে, তাঁর বাড়িতে দুর্গাপুজোর আয়োজন হত। দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের পর এলাকার মানুষের মন খারাপ দূর করতেই দুর্গাপুজোর ১৪ দিন পর মেলার প্রচলন করেন তিনি। প্রথমদিকে মহানন্দা ও কালিন্দ্রী নদীর মিলনস্থল গুজরঘাটে বসত এই মেলা। সেই সময় মহানন্দা নদীতে নৌকাবাইচেরও আয়োজন করা হত। বর্তমানে নৌকাবাইচ বন্ধ হলেও মেলার ঐতিহ্য আজও অটুট রয়েছে। মেলার পরিধি বাড়ায় কয়েক বছর ধরে নতুন জায়গায় বসছে এই আসর। মেলায় দক্ষিণ দিনাজপুর-সহ বিভিন্ন এলাকা থেকে কাঠের ব্যবসায়ীরা আসেন।
আকাশমণি, কাঁঠাল, শিশু-সহ বিভিন্ন প্রজাতির কাঠের তৈরি আসবাবপত্র পাওয়া যাচ্ছে এখানে। ৭ হাজার থেকে শুরু করে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত বিভিন্ন দামের খাট রয়েছে। পাশাপাশি মিলছে আলমারি, চৌকি, টেবিল ও চেয়ার। ব্যবসায়ী নারায়ণ চন্দ্র সূত্রধর বলেন, “প্রায় ৩০ বছর ধরে এই মেলায় ব্যবসা করতে আসছি। উন্নত মানের কাঠের আসবাবপত্র নিয়ে আসি। অন্যান্য জায়গার তুলনায় অনেক কম দামে এখানে সামগ্রী বিক্রি করা হয়। ৩০ হাজারের খাট ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত দামে ছেড়ে দেওয়া হয়।”
