Headlines

Traditional Durga Puja: মহাষ্টমীতেই সিঁদুরখেলা, বিসর্জনে নৌকো সফর! ২৫০ বছরের পুরনো রীতি, আজও অনন্য ‘এই’ বনেদিবাড়ির পুজো | Traditional Durga Puja 250 Year Old Legacy Boat Immersions and Traditional Rituals Alive at Patuli Saha Bari Durga Puja | পূর্ব বর্ধমান


Last Updated:

Traditional Durga Puja: দশমীর অপেক্ষা নয়, মহাষ্টমীর সন্ধিপুজো শেষেই মেতে ওঠা সিঁদুর খেলায়! এরপর নদীতে নৌকো ঘুরিয়ে বিসর্জন। অনন্য নিয়ম আর প্রাচীন বনেদিয়ানায় ভরপুর পাটুলির সাহা বাড়ির পুজো।

+

পূর্বস্থলীর

পূর্বস্থলীর পাটুলির সাহা বাড়ির দুর্গা প্রতিমা তৈরির কাজ

কালনা, পূর্ব বর্ধমান, বনোয়ারীলাল চৌধুরী: পাটুলির সাহা বাড়ির দুর্গাপুজো শুধু একটি পারিবারিক পুজো নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে প্রায় আড়াইশো বছরের ঐতিহ্য, আচার ও বনেদিয়ানা। পূর্বস্থলীর পাটুলিতে সাহা পরিবারের এই পুজোর বয়স ঠিক কত, তার নির্দিষ্ট হিসাব নেই। তবে বংশপরম্পরায় পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, পরিবারের দাবি এই পুজো ২০০ থেকে ২৫০ বছরের পুরনো। একসময় জমিদারি আমলের জৌলুসে ঝাড়বাতির আলোয় সেজে উঠত গোটা বাড়ি। সময়ের সঙ্গে সেই জাঁকজমক কমলেও আজও পুরনো রীতিনীতি ধরে রেখেছে পরিবার।

সুব্রত সাহা বলেন, এই পুজো তাঁদের পূর্বপুরুষের পুজো। বংশপরম্পরায় তাঁরা জেনে এসেছেন, পুজোর বয়স ২০০ বছরের বেশি। মহাষ্টমীর সন্ধিপুজোর সমাপনে এখানে বিশেষভাবে সিঁদুর খেলার রীতি রয়েছে। নবমীতে শাক্ত মতে পশুবলি নয়, বৈষ্ণব রীতি মেনে চালকুমড়ো, আখ ও পাকা কলা বলি দেওয়া হয়। কুমারী পুজোও হয়। বিসর্জনের ক্ষেত্রেও রয়েছে পুরনো ঐতিহ্য। এখনও নৌকায় করে প্রতিমাকে নদীতে নিয়ে গিয়ে প্রদক্ষিণ করিয়ে বিসর্জন দেওয়া হয় এবং পরদিন কাঠামো তুলে এনে ফের ঘরে স্থাপন করা হয়।

আরও পড়ুন: প্যান্ডেল হপিংয়ে এবার নো চিন্তা! মাঝরাতেও মিলবে ট্রেন, কোন রুটে ক’টি স্পেশাল? দেখুন রেলের তালিকা

পুজোর ক’টা দিন সাহা বাড়িতে যেন ফিরে আসে পুরনো দিনের পারিবারিক মিলন। বাইরে থাকা পরিবারের সদস্যরা এই সময় বাড়িতে ফিরে আসেন। ফলে কয়েক দিনের জন্য বাড়ির সদস্যসংখ্যা কয়েকগুণ বেড়ে যায়। আনন্দ, আড্ডা আর পুজোর ব্যস্ততায় জমজমাট হয়ে ওঠে গোটা বাড়ি। পরিবারের দাবি, নদীতে নৌকায় প্রতিমা ঘোরানোর যে রীতি একসময় বহু বাড়িতে দেখা যেত, এখন তা প্রায় হারিয়ে গিয়েছে। পাটুলির সাহা বাড়ি এখনও সেই ঐতিহ্য ধরে রেখেছে। রাজকিরণ সাহা বলেন, পুজোর সময় পরিবারের বাইরে থাকা দিদি-বোনেরাও বাড়িতে ফিরে আসেন। ফলে বাড়িতে থাকা মানুষের সংখ্যা প্রায় চারগুণ হয়ে যায়। সকলে একসঙ্গে আনন্দ করে পুজোর দিনগুলি কাটান। বিসর্জনের সময় প্রতিমাকে নৌকায় তুলে নদীতে ঘোরানো হয়। পরে বিসর্জন শেষে পরদিন আবার কাঠামো মণ্ডপে এনে বেদিতে স্থাপন করা হয়। পুরনো রীতির অনেকটাই এখনও তাঁরা ধরে রেখেছেন।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *