Last Updated:
Yuzvendra Chahal-Dhanashree: বিবাহবিচ্ছেদের পরেও যুজবেন্দ্র চাহাল ও ধনশ্রীর সম্পর্ক প্রায়শই খবরের শিরোনামে থাকে। কখনও দু’জনের পুরোনো মন্তব্য, আবার কখনও সোশ্যাল মিডিয়ায় তাদের নিয়ে নতুন নতুন দাবি ওঠে। এবার একটি সাক্ষাৎকার ভাইরাল হতেই নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
ক্রিকেটার যুজবেন্দ্র চাহাল এবং তাঁর প্রাক্তন স্ত্রী ধনশ্রী ভার্মার ব্যক্তিগত জীবন আবারও খবরের শিরোনামে। বিয়ের কয়েক বছর পরেই তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়। বিবাহবিচ্ছেদের সময় ধনশ্রীকে প্রচুর ট্রোলিংয়ের শিকার হতে হয়েছিল, এমনকি তাঁকে ‘গোল্ড ডিগার’ বা অর্থলোভী বলেও আখ্যা দেওয়া হয়েছিল। ফের চর্চায় উঠে এসেছে ধনশ্রী এবং যুজবেন্দ্র চাহালের নাম। আরজে মহাভাশের একটি পুরোনো সাক্ষাৎকার সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত ভাইরাল হতেই জোর চর্চা শুরু হয়েছে। এই ক্লিপটিতে মাহভাশকে এমন একজন ব্যক্তির বিষয়ে কথা বলতে দেখা যায়, যিনি তাঁর গর্ভবতী স্ত্রীর সঙ্গে প্রতারণা করেছিলেন। এরপরেই মানুষ তাঁর এই বক্তব্যকে চাহাল ও ধনশ্রীর বিবাহবিচ্ছেদের সঙ্গে মেলাতে শুরু করে। কিছু ব্যবহারকারী এমনকি দাবি করেন যে, মাহভাশ চাহাল সম্পর্কে একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ করেছেন।
পিঙ্কভিলার একটি পুরোনো পডকাস্টের একটি ক্লিপ সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হচ্ছে, যেখানে আরজে মাহভাশকে বলতে শোনা যায়, “হায় ঈশ্বর, যে জিনিসটা থেকে ঈশ্বর আপনাকে রক্ষা করেন… এই লোকটির ডিভোর্স হয়েছে কারণ সে তাঁর গর্ভবতী স্ত্রীর সঙ্গে প্রতারণা করেছিল। যে একবার প্রতারক, সে চিরকালই প্রতারক।”
আরজে মাহভাশ কার জন্য এই কথাটি বলেছিলেন? তা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা৷ সাক্ষাৎকারের এই অংশটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করার পর, লোকজন এটিকে যুজবেন্দ্র চাহালের সঙ্গে যুক্ত করে। তবে, কথোপকথনের অন্য একটি অংশে মাহভাশ স্পষ্ট করে বলেন যে তিনি একটি অতীতের সম্পর্কের কথা বলছিলেন। যখন তাঁর বয়স ছিল ১৯ বছর এবং তিনি আলিগড়ে থাকতেন, তখন ফেসবুকের মাধ্যমে এক ব্যক্তির সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। তিনিও আলিগড়েরই বাসিন্দা ছিলেন। মাহভাশ জানান যে সেই ব্যক্তি তাঁর সঙ্গে প্রতারণা করেছিল। পরে তিনি জানতে পারেন যে, সেই একই ব্যক্তি তাঁর গর্ভবতী স্ত্রীর সঙ্গেও প্রতারণা করেছিল।
২০২০ সালে কোভিড-১৯ লকডাউনের সময় যুজবেন্দ্র চাহাল এবং ধনশ্রী ভার্মার পরিচয় হয়। চাহাল ধনশ্রীর অনলাইন নাচের ক্লাসে যোগ দেন। ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে এবং পরে তাদের প্রেমে হয়। ২০২০ সালের ডিসেম্বরে, তাঁরা গুরুগ্রামে ঐতিহ্যবাহী রীতিতে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তবে, বিয়ের কয়েক বছর পর তাদের সম্পর্কের মধ্যে মতবিরোধের খবর সামনে আসতে শুরু করে। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে, তাঁরা পারস্পরিক সম্মতিতে বিবাহবিচ্ছেদের জন্য আবেদন করেন। ২০২৫ সালের ২০মার্চ, মুম্বই পারিবারিক আদালত তাদের বিবাহবিচ্ছেদ মঞ্জুর করে এবং এই দম্পতি আইনত আলাদা হয়ে যান।

