Last Updated:
Road Accident: শনিবার সকালে কালনায় ঘটল এক মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনা! কালনা থানার সারঘড়িয়া এলাকায় শেমফোর্ড স্কুলের সামনে যাত্রীবাহী অটো ও বেপরোয়া গতিতে আসা ট্রাক্টরের মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ হারিয়েছেন দ্বীপ প্রামাণিক নামে এক যুবক।
কালনা, পূর্ব বর্ধমান, বনোয়ারীলাল চৌধুরী: শনিবার সকালে সেলুনে কাজে যাওয়ার পথেই মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল এক যুবকের। কালনা থানার অন্তর্গত সারঘড়িয়া এলাকায় শেমফোর্ড স্কুলের সামনে অটো ও ট্রাক্টরের মুখোমুখি সংঘর্ষে মৃত্যু হয়েছে দ্বীপ প্রামানিক নামে ওই যুবকের। তাঁর বাড়ি মেদগাছির কাঁদিপুর এলাকায়। দুর্ঘটনায় আরও চারজন আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁদের মধ্যে টোটন দাসের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁকে বর্ধমানের হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিদিনের মতো শনিবার সকালে অটো করে ধাত্রীগ্রামে নিজের সেলুনের দোকানে যাচ্ছিলেন দ্বীপ পরামানিক। অটোতে আরও বেশ কয়েকজন যাত্রী ছিলেন। সারঘড়িয়া মোড়ে শেমফোর্ড স্কুলের সামনে আচমকাই একটি ট্রাক্টর অটোটিকে ধাক্কা মারে। সংঘর্ষের অভিঘাতে অটোতে থাকা যাত্রীরা আহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় দ্বীপ পরামানিককে কালনা মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
শুভদীপ আরও জানান, দুর্ঘটনায় মোট চার-পাঁচজন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে রয়েছেন টোটন দাস, তাঁর স্ত্রী শ্রীমতি দাস, কেয়ামত আলী শেখ এবং সুখেরা বিবি। টোটন দাসের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানান তাঁর পরিচিত শিশির ব্যানার্জি। তিনি জানান, টোটন দাসকে বর্ধমানের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি টোটনের স্ত্রী শ্রীমতি দাস অন্তঃসত্ত্বা এবং আল্ট্রাসোনোগ্রাফির জন্যই ওই অটোতে করে হাসপাতালে আসছিলেন বলে জানা গিয়েছে।দুর্ঘটনার পর ট্রাক্টর চালক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ। ট্রাক্টরটি শেমফোর্ড স্কুলের কাছেই রয়েছে বলে জানান শুভদীপ ঘোষ। চালক ঘুমিয়ে পড়েছিলেন কি না, তা নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয় বলে জানান তিনি। তবে তাঁর অভিযোগ, বেপরোয়া গাড়ি চালানো এবং প্রশিক্ষণের অভাবের কারণেই এমন দুর্ঘটনা ঘটছে। ঘটনার পর থেকেই এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শনিবার কালনা মহকুমা হাসপাতালে দ্বীপ প্রামানিকের মৃতদেহের ময়নাতদন্ত হবে।

