কল্যাণ জুয়েলার্সের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর রমেশ কল্যাণরামন বলেন, সোনার দাম কিছুটা কমে আসায় উৎসবের কেনাকাটায় অতিরিক্ত উৎসাহ তৈরি হয়েছে। সংস্থার শোরুমগুলিতে পেনডেন্ট, চুড়ি ও চেনের মতো হালকা ওজনের গয়নার পাশাপাশি ছোট আকারের সোনা ও রুপোর কয়েন এবং রুপোর তৈরি সামগ্রীর চাহিদাও দেখা গিয়েছে।
তিনি আরও জানান, জয়পুর, দেরাদুন, সুরাট, বেলগাম, আরা ও রায়পুরের মতো টিয়ার-২ এবং টিয়ার-৩ শহরেও চাহিদা বেড়েছে। এই শহরগুলিতে প্রথমবার গয়না কিনছেন এমন ক্রেতাদের মধ্যেও আগ্রহ দেখা যাচ্ছে।
PNG জুয়েলার্সের চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর সৌরভ গাডগিল জানান, শিল্পমহলের প্রাথমিক হিসেব অনুযায়ী গত বছরের তুলনায় এবার বিক্রিতে ২৫-৩০ শতাংশ অতিরিক্ত বৃদ্ধি হতে পারে। সোনার দাম কিছুটা কমে আসা, আগাম বুকিং এবং দীপাবলির দীর্ঘ ছুটির সপ্তাহান্ত—এই তিনটি বিষয় চাহিদা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে।
