Last Updated:
১৮৬৫ সালে গঠিত হয় বর্ধমান পুরসভা। অনেক আগে দেড়শো বছর পার করলেও কর্পোরেশনের তকমা জোটেনি। তবে
বর্ধমান পুরসভার কর্পোরেশনে উন্নীত হওয়া এখন শুধুই সময়ের অপেক্ষা! নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পরই এ বিষয়ে পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরে প্রস্তাব জমা পড়েছে। ইতিমধ্যেই সমীক্ষা শুরু করেছে রাজ্য সরকার। শিল্প ও পরিকল্পনা দফতরের প্রতিমন্ত্রী তথা বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র এ বিষয়ে বিশেষ উদ্যোগী হয়েছেন।
এ বার বর্ধমান পুরসভাকে কর্পোরেশনে উন্নীত করতে রাজ্য পুর ও নগরোন্নয়ন দফতর ইতিমধ্যে সমীক্ষার কাজ শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন রাজ্যের শিল্প প্রতিমন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র। তাঁর তৎপরতায় পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরে প্রস্তাব জমা দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘ভালো পরিষেবা পেতে গেলে আপগ্রেডেশন প্রয়োজন। আগের কোনও সরকার সেই উদ্যোগ নেয়নি। আমরা চেষ্টা করছি বর্ধমান কর্পোরেশন করার। এলাকা বাড়বে, বরাদ্দ বেশি হবে, নাগরিক পরিষেবা আরও উন্নত হবে।’
পৌরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, কর্পোরেশন হলে বর্ধমান পৌরসভার পঁয়ত্রিশটি ওয়ার্ডের সঙ্গে আরও বেশ কিছু এলাকা যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আলিশা সহ উল্লাস উপনগরী এমনকি বড়শুলও এই কর্পোরেশনে যুক্ত হতে পারে। আবার রেনেসাঁ, দেওয়ানদিঘি সহ আশপাশের অনেক পঞ্চায়েত এলাকাকে যুক্ত করে পথ চলা শুরু করতে পারে কর্পোরেশন। সার্ভেতে সব দিক খতিয়ে দেখা হবে।
কর্পোরেশনে উন্নীত হলে পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য বাড়তি অর্থ মিলবে। শহরের রাস্তা, নিকাশি পরিকাঠামো উন্নত হবে। সৌন্দর্যায়নের অনেক সম্ভাবনা তৈরি হবে।
মন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র বলেন, ‘শহরের বাইরের লাগোয়া পঞ্চায়েতগুলি থেকে প্রতিদিন প্রচুর টোটো আসায় শহরে যানজট তৈরি হচ্ছে। তা নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট দফতরের সঙ্গে কথা বলে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সমেত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রুটে ‘ওয়ান-ওয়ে’ ব্যবস্থা চালু করার কথা বলা হয়েছে। মন্ত্রী বলেন, কোনওরকম নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে সরু রাস্তার উপরে বেআইনি ভাবে বিশাল ফ্ল্যাট তোলা হয়েছে। এর ফলে রাস্তায় যানজট বাড়ছে। তবে পুজোর আগে কোনও হকার উচ্ছেদ করা হবে না বলে জানিয়েছেন তিনি।

