Headlines

CM Suvendu Adhikari: ‘মতুয়া বোর্ড পুনর্গঠন করে মতুয়াদের উন্নয়নে ৫০ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে’, আলাদা ঠাকুরনগর পুরসভা তৈরিরও আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর | উত্তর ২৪ পরগণা


Last Updated:

CM Suvendu Adhikari: প্রথমবার ঠাকুরনগরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রবিবার বারুণী মেলাকে জাতীয় মেলার স্বীকৃতি দেওয়ার কথা বলেন তিনি৷ আলাদা ঠাকুরনগর পুরসভা তৈরি, সিএএ-তে মতুয়াদের নাগরিকত্ব নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন। পালাবদলের বাংলায় মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণায় উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন সমবেত জনতা।

আলাদা ঠাকুরনগর পুরসভা তৈরিরও আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর (File Photo)
আলাদা ঠাকুরনগর পুরসভা তৈরিরও আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর (File Photo)

ঠাকুরনগর: মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথমবার মতুয়া-গড়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রবিবার ঠাকুরবাড়িতে আন্তর্জাতিক গোঁসাই সম্মেলনে যোগ দেন তিনি। সেখান থেকেই মতুয়া সমাজের উদ্দেশ্যে বড় ঘোষণা করেন৷ জানান, মতুয়া বোর্ডের জন্য ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দের কথা। আলাদা ঠাকুরনগর পুরসভা তৈরিরও আশ্বাস দেন মুখ্যমন্ত্রী৷

ঠাকুরনগরে মুখ্যমন্ত্রী

এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ”নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ঠাকুরনগরের ঠাকুরধামে প্রথম বিজেপিকে প্রতিষ্ঠা করার কাজ শুরু করেছিলেন মঞ্জুলকৃষ্ণ ঠাকুর। তাঁকে কেউ তাড়িয়ে দেয়নি। তিনি নিজেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করে এসেছিলেন। আমরাও দু’জনেই বুঝেছিলাম, এই রাজ্য থেকে যদি আমরা এদের সরাতে না পারি, তা হলে এই রাজ্য গ্রেটার বাংলাদেশে পরিণত হবে।”

সিএএ ও মতুয়া সম্প্রদায়…

উল্লেখ্য, স্বাধীনতা পরবর্তী সময় ১৯৭১ সালের পর বাংলাদেশ থেকে বহু মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষ এই দেশে আসেন। আর সেই সময় থেকেই উদ্বাস্তু সমস্যা এবং নাগরিকত্ব নিয়ে মতুয়াদের মধ্যে তৈরি হয় জটিলতা। তবে CAA কার্যকর হওয়ার পরে আশায় বুক বাঁধতে থাকেন মতুয়ারা৷ CAA-এর প্রক্রিয়া সরলীকরণ করার জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে আবেদন করেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর। বিজেপি সাংসদ নিজে জানান বহু মানুষ সার্টিফিকেট পাচ্ছেন৷ রবিবারেও মুখ্যমন্ত্রীর কথায় উঠে আসে সিএএ প্রসঙ্গ৷

মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাস…

শুভেন্দু অধিকারী জানান, “২০১৯ সালে ক্ষমতায় আসার পর মোদিজি মতুয়াদের জন্য নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (CAA) কার্যকর করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন। এর মধ্যে অনেকটা সময় পেরিয়ে গিয়েছে করোনার কারণে। ২০২৩ সালে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে আমি এখানে এসেছিলাম। ২০২৪ সালের ৬ মার্চ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক CAA-র নিয়মাবলী  জারি করে দেয়। অমিত শাহ নিজের কথা রেখেছেন। CAA-র বিরোধিতা করেছিলেন একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আপনাদের সঙ্গে অন্যায় করেছিলেন বলেই ঠাকুর সম্প্রদায় গণতান্ত্রিকভাবে তাঁকে সরিয়ে দিয়েছে। শুধু সরানোই নয়, তিনি নিজে দু’বার আমার কাছে বিধানসভা নির্বাচনে পরাজিত হয়েছেন।”

CAA অর্থাৎ Citizenship Amendment Act। ২০১৯ সালে দ্বিতীয় বার ক্ষমতায় এসে CAA পাস করিয়েছিল মোদি সরকার। সে সময় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক জানায়, নাগরিকত্ব (সংশোধনী) নিয়ম, ২০২৪ অনুসারে কোনও ব্যক্তি নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

নাগরিকত্ব সার্টিফিকেট

রাজ্যে বিরোধী দল থাকাকালীনও কিন্তু মতুয়া সম্প্রদায় একটা বড় অংশের ভোট বিজেপির দিকে ছিল। পালাবদলের রাজ্যে এই সম্প্রদায় দুহাত ভরে আশীর্বাদ করেছে বিজেপিকে। এদিন মতুয়া গড়ে পা দিয়েই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে শুনানি শেষ করে সকলকে আমরা নাগরিকত্ব সার্টিফিকেট দেব। ২৫ হাজার মানুষ পেয়েছেন CAA সার্টিফিকেট। তাঁরা তফশিলি সার্টিফিকেট পাচ্ছিলেন না। কিন্তু আমি বলেছি তাঁরা পাবেন সার্টিফিকেট। এরপর যখন ভোটার তালিকা প্রকাশ হবে ইলেকশন কমিশনকে বলে নাগরিকত্ব আইনের মাধ্যমে নাগরিকত্ব পাওয়া সকলকে ভোটার তালিকায় নাম ওঠানোর ব্যবস্থা করব৷“ সব মিলিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর এদিনের আশ্বাসে আরও স্বস্তিতে মতুয়ারা৷



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *