Headlines

Donald Trump: মিড টার্মে ‘গো-হারা’ হার! অবশেষে ইরান ‘ভুল’ স্বীকার ট্রাম্পের, বলরুম-ঝাড়বাতি নিয়ে বকলেন ৩০ মিনিট | লেটেস্ট বিদেশের খবর


ইরান যুদ্ধের প্রভাব

ইরান যুদ্ধ নিয়ে তাঁকে ভুল পথে চালিত করা হয়েছে বলে মনে করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের শোচনীয় পরাজয়ের পর প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে পারেন তিনি। বুধবার সিএনএন-এর এক প্রতিবেদনে ট্রাম্পের এক উপদেষ্টাকে উদ্ধৃত করে এই দাবি করা হয়েছে। ওই উপদেষ্টা সিএনএন-কে বলেন, “মূল কথা হল, ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প মনে করছেন তাঁকে ভুল বোঝানো হয়েছে। তাঁকে ভুল পথে চালিত করা হয়েছে। আর এর জন্য কাউকে না কাউকে মূল্য দিতে হবে।”

প্রায় আট মাস ধরে চলা এই যুদ্ধ নিয়ে ক্রমশ হতাশ হয়ে পড়েছেন ট্রাম্প। তাঁর বিশ্বাস, এই সংঘাতের প্রভাব পড়েছে মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের সম্ভাবনার উপর। তাঁর ঘনিষ্ঠ মহলের একাংশের ধারণা, নির্বাচনী প্রচার শেষ হওয়ার পর এবার যুদ্ধের জন্য দায়ী আধিকারিকদের খুঁজতে পারেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফলে ইরান যুদ্ধের প্রভাব স্বীকার ট্রাম্পের

মধ্যবর্তী নির্বাচনে ইরান যুদ্ধের প্রভাব পড়েছে বলে স্বীকার করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর ইঙ্গিত, আট মাস ধরে চলা সংঘাতের জেরে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় ভোটারদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল। তবে ট্রাম্পের বক্তব্য, ইরান যুদ্ধ এমন একটি পদক্ষেপ ছিল, যা তাঁকে নিতেই হত। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “ইরানের বিষয়টি আমাদের করতেই হত। আর আমরা তা চালিয়ে যাচ্ছি।”

এর আগে অবশ্য কিছুটা সমঝোতার সুর শোনা গিয়েছিল ট্রাম্পের গলায়। ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন তিনি। তবে একই সঙ্গে আগামী দিনে রাজনৈতিক অচলাবস্থার আশঙ্কাও প্রকাশ করেন। ডেমোক্র্যাটদের কর্মসূচি আটকে দিতে প্রেসিডেন্টের ভেটো ক্ষমতা প্রয়োগের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি।য

ইরান যুদ্ধই এখন ট্রাম্পের রাজনৈতিক বোঝা

মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের পরাজয়ের পর ইরান যুদ্ধ নিয়ে ব্যক্তিগতভাবে হতাশা প্রকাশ করেছেন ট্রাম্প। তাঁর আশঙ্কা, এই সংঘাতের কারণে নির্বাচনে দলের সম্ভাবনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নির্বাচনী প্রচারে ইরান ও ইউক্রেনের যুদ্ধ যাতে প্রধান ইস্যু হয়ে না ওঠে, তা নিশ্চিত করার চেষ্টা করেছিলেন তিনি।

অন্যদিকে, ইরান সংঘাতের দ্রুত এবং চূড়ান্ত অবসান ঘটানোর জন্যও চাপের মুখে রয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তাঁর প্রশাসনে আরও সামরিক পদক্ষেপের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছে। যদিও ট্রাম্পের কিছু উপদেষ্টা মনে করছেন, কূটনৈতিক প্রচেষ্টার জন্য আরও কিছুটা সময় দেওয়া উচিত।

২০০৬ সালের ঘটনার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতির মিল খুঁজে পাচ্ছেন অনেকে। সে বছর মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের বড় পরাজয়ের পর তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী ডোনাল্ড রামসফেল্ডকে সরিয়ে দিয়েছিলেন। ইরাক যুদ্ধ নিয়ে জনরোষ সেই পরাজয়ের অন্যতম কারণ ছিল।

তবে ইরান যুদ্ধের অবসান হওয়ার আগেই ট্রাম্প তাঁর প্রশাসনে কোনও পরিবর্তন আনবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

মধ্যবর্তী নির্বাচনে হারের পর প্রথম ভাষণে ৩০ মিনিট ধরে বললেন বলরুমের কথা!

মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকানদের ঐতিহাসিক পরাজয়ের পর প্রথমবার প্রকাশ্যে এলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে আলোচনার পরিবর্তে হোয়াইট হাউসে নির্মীয়মাণ বলরুমের কাজকর্ম তুলে ধরতেই বেশি সময় ব্যয় করলেন তিনি।

রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নির্মাণকর্মীদের সঙ্গে দেখা করেন ট্রাম্প। বলরুমের কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্যও দেন তিনি। ওয়াশিংটনে একাধিক সংস্কার ও সৌন্দর্যায়ন প্রকল্পের মধ্যে অন্যতম এই বলরুম।

বলরুমের জন্য তৈরি করা স্তম্ভগুলির বর্ণনা দিতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, “এগুলি সুন্দর চুনাপাথর দিয়ে খোদাই করা হচ্ছে। এগুলি হবে করিন্থিয়ান নকশার, যা স্থাপত্যের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ মানের বলে বিবেচিত।”

এই ধরনের প্রকল্পে সময় ও অর্থ ব্যয় নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়লেও বলরুমের পক্ষে সওয়াল করেন ট্রাম্প। তাঁর বক্তব্য, দেশের মর্যাদার জন্য এই ধরনের নির্মাণ প্রয়োজন। “আমি এটা পছন্দ করি,” বলেন ট্রাম্প। “এটা আমার কাছে আরামদায়ক।”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *