অভিযোগ, টালা প্রত্যয়ের পুজোর সঙ্গে ওতপ্রতভাবে জড়িয়ে ছিলেন ধ্রুবজ্যোতি বোস ওরফে শুভ। ধ্রুবজ্যোতি বসুকে গ্রেফতারির পরে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ করেছে লালবাজার। তৃণমূল আমলে দুর্গাপূজোতেও দুর্নীতির অভিযোগ ইউনেস্কোর নাম ব্যবহার করে বিপুল পরিমাণ কোটি টাকা তোলার অভিযোগ সেই সমস্ত তথ্য ইডির থেকে পেয়ে জিজ্ঞাসাবাদ ধ্রুবজ্যোতি বসুকে।
ইউনেস্কোর নাম করে যেভাবে পাস তৈরি করে টাকা তোলা হয়েছিল, রইল রেট চার্ট
প্লাটিনাম ফ্যামিলি – ২ জন প্রাপ্তবয়স্ক , ২ শিশু , ২ জন সিনিয়র সিটিজেন – ৪০০০ টাকা! ৫ দিন দেখতে পাবেন নির্দিষ্ট পুজো গুলো।
প্লাটিনাম কাপল – ২ প্রাপ্তবয়স্ক ৩৫০০।
প্লাটিনাম সিঙ্গেল ১ প্রাপ্তবয়স্ক ২৫০০
গোল্ড ফ্যামিলি -৪ নাইট – ২ প্রাপ্তবয়স্ক , ২ শিশু ২জন সিনিয়র ৩৫০০
গোল্ড কপাল- ২ প্রাপ্তবয়স্ক ৩০০০
গোল্ড সিঙ্গেল – ১ জন প্রাপ্তবয়স্ক ২০০০
সিলভার ফ্যামিলি – ৩০০০
সিলভার কাপলে – ৩ দিন ২ ২৫০০
সিলভার সিঙ্গেল– ১৫০০
এই গোটা জালিয়াতি প্রক্রিয়া মাস আর্ট কোম্পানির মাধ্যমেই করা হয়েছিল বলে অভিযোগ৷
বুধবার (৪ নভেম্বর) টেরিটি বাজার চত্বর থেকে ধ্রুবজ্যোতি বসুকে গ্রেফতার করে পুলিশ। জানা গিয়েছে, টালা প্রত্যয়ের পুজোর সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন ধ্রুব। গত বছর পর্যন্ত টালা প্রত্যয়ের পুজোর অন্যতম দায়িত্বে ছিলেন তিনি। ইন্দ্রনীলের দুর্নীতির টাকা আড়ালের দায়িত্বে ছিলেন শুভ, এমনটাই অভিযোগ পুলিশের।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মাস আর্ট সোস্যাইটি (Mass Art Society) সংস্থার সম্পাদক তথা অন্যতম মাথা হলেন ধ্রুবজ্যোতি বসু। পাস দুর্নীতির ক্ষেত্রে মূলত প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন ও ধ্রুবজ্যোতি বসু মিলেই পাস বিক্রির পরিকল্পনা করে। তথ্য সংস্কৃতি দফতরের টেন্ডারে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সংস্থা হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছে ধ্রুব-র সংস্থা।
