পাঁশকুড়া: অন্যান্য সবজির চাষ ছেড়ে পাঁশকুড়ার টমাটো চাষের উপর নির্ভরশীল হচ্ছেন কৃষকেরা। কারণ এই টমেটো অন্যান্য সবজি থেকে বেশ লাভ জনক। পাঁশকুড়ার এরাপুর, শিরোমণিচক সহ বিভিন্ন এলাকায় বিঘার পর বিঘা জমিতে উচ্চ ফলনশীল টমেটো চাষ করে লাভের মুখ দেখছেন কৃষকেরা। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার অর্থনীতি নির্ভর করে চাষবাসের ওপর। পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় পাঁশকুড়ায় ধান চাষের পাশাপাশি সারা বছর ধরে ফুল চাষ ও সবজি চাষ হয়। শীতের সময় মূলত শীত কালীন সবজি চাষ করেন কৃষকেরা। টমেটো মূলত শীতকালীন সবজি। কিন্তু পাঁশকুড়ার কৃষকেরা বর্ষাকাল বাদ দিয়েই সারা বছর চাষ করে লাভবান হচ্ছেন। ওই এলাকার কৃষকদের কথায়, কাঠা পিছু টমেটো চাষের খরচ দেড় থেকে দু হাজার টাকা। উৎপাদিত টমেটো বিক্রি করে কাঠা পিছু উঠে আসে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা। যা অন্যান্য সবজি চাষের ক্ষেত্রে পাওয়া যায় না। মালচিং পদ্ধতিতে টমেটো চাষ হচ্ছে না। পুরনো পদ্ধতিতেই জমিতে মাটি তৈরি করার পর, দেওয়া হয় সামান্য সার। তারপর প্রায় তিন ফুট অন্তর মাদা করে লাগানো হয় টমেটো চারা। প্রতি কাঠায় ৩০০ থেকে ৩৫০ টি চারা লাগানো হয়। কার্তিক মাস থেকে শুরু করে আষাঢ় মাস পর্যন্ত টমেটো চাষ চলে। এই গ্রামগুলির প্রধান আর্থিক চাষবাস হল টমেটো। এই চাষ তাদের সফলতায় এনে দিয়েছে। এনে দিয়েছে দৈনন্দিন জীবনের আর্থিক সাচ্ছন্দ্য! টমেটো চাষ করে সফলতা পাওয়া কৃষক কৃষ্ণপ্রসাদ মাইতি বলেন, “আমাদের এলাকায় বিঘার পর বিঘা জমিতে টমেটো চাষ হচ্ছে। আর এই টমেটো যাচ্ছে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকার বাজারের পাশাপাশি পাশাপাশি ওড়িশা ঝাড়খণ্ড বিহার সহ বিভিন্ন রাজ্যে। বছরের বর্ষাকাল বাদেই সারা বছরই টমেটো চাষ হচ্ছে। আর তাতে লাভ হচ্ছে অন্যান্য চাষের তুলনায় অনেক বেশি।” এলাকার আরও এক কৃষক বিশ্বজিৎ প্রামানিক বলেন, টমেটো পাওয়া যায় জৈষ্ঠ মাস পর্যন্ত। এলাকায় মূলত সোনা ৩৮, নন্দী ও লক্ষী প্রজাতির টমেটো চাষ হচ্ছে। এই এলাকার সাধারণ মানুষের আর্থিক উন্নতি এই টমেটো চাষ ঘিরেই।” কৃষকেরা চাষের জমিতেই টমেটো বিক্রি করতে পারছেন। ফলে তাদের বাজারে নিয়ে যাওয়ার সমস্যা অনেকটাই লাঘব হচ্ছে। টমেটো চাষের সঙ্গে যুক্ত কৃষকেরা জানিয়েছেন অন্যান্য চাষের তুলনায় টমাটো একটু পরিশ্রম বেশি। কিন্তু অন্যান্য চাষের তুলনায় এই চাষে লাভের অংকটাও ভালো। বিভিন্ন ধরনের চাষবাস পাঁশকুড়ার অর্থনৈতিক ভারসাম্যকে বজায় রেখেছে। কৃষকেরা চিরাচরিত চাষবাস ছেড়ে আধুনিক চাষবাসে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। শাকসবজি ফুল চাষ পাঁশকুড়ার আলাদা পরিচিতি এনে দিয়েছে। এবার সেই পাঁশকুড়ায় টমেটো চাষ নতুন করে পথ দেখাচ্ছে কৃষকদের। পাঁশকুড়ায় এই টমাটো চাষের কদর বাড়ছে।পাঁশকুড়া: অন্যান্য সবজির চাষ ছেড়ে পাঁশকুড়ার টমাটো চাষের উপর নির্ভরশীল হচ্ছেন কৃষকেরা। কারণ এই টমেটো অন্যান্য সবজি থেকে বেশ লাভ জনক। পাঁশকুড়ার এরাপুর, শিরোমণিচক সহ বিভিন্ন এলাকায় বিঘার পর বিঘা জমিতে উচ্চ ফলনশীল টমেটো চাষ করে লাভের মুখ দেখছেন কৃষকেরা। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার অর্থনীতি নির্ভর করে চাষবাসের ওপর। পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় পাঁশকুড়ায় ধান চাষের পাশাপাশি সারা বছর ধরে ফুল চাষ ও সবজি চাষ হয়। শীতের সময় মূলত শীত কালীন সবজি চাষ করেন কৃষকেরা। টমেটো মূলত শীতকালীন সবজি। কিন্তু পাঁশকুড়ার কৃষকেরা বর্ষাকাল বাদ দিয়েই সারা বছর চাষ করে লাভবান হচ্ছেন। ওই এলাকার কৃষকদের কথায়, কাঠা পিছু টমেটো চাষের খরচ দেড় থেকে দু হাজার টাকা। উৎপাদিত টমেটো বিক্রি করে কাঠা পিছু উঠে আসে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা। যা অন্যান্য সবজি চাষের ক্ষেত্রে পাওয়া যায় না। মালচিং পদ্ধতিতে টমেটো চাষ হচ্ছে না। পুরনো পদ্ধতিতেই জমিতে মাটি তৈরি করার পর, দেওয়া হয় সামান্য সার। তারপর প্রায় তিন ফুট অন্তর মাদা করে লাগানো হয় টমেটো চারা। প্রতি কাঠায় ৩০০ থেকে ৩৫০ টি চারা লাগানো হয়। কার্তিক মাস থেকে শুরু করে আষাঢ় মাস পর্যন্ত টমেটো চাষ চলে। এই গ্রামগুলির প্রধান আর্থিক চাষবাস হল টমেটো। এই চাষ তাদের সফলতায় এনে দিয়েছে।
